1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার সাজ্জাদ হোসেনের ওপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে প্রেসক্লাবে জনতার বিস্ফোরণ বিলাইছড়িতে বুদ্ধপূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা। বিলাইছড়িতে মহান মে দিবস পালিত । খুলনা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দেরকে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন । বিলাইছড়িতে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে  পালবার লিং সেন্টার কর্তৃক খাদ্য সামগ্রী বিতরণ । খুলনার লবণচড়া থানা এলাকায় গুলির ঘটনা। মহেন্দ্রদী জালালখাঁর বাড়ীর জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এখন ‘মরণফাঁদ’: ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। কয়রায় সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় । কেশবপুরে মানবিক ডাক্তার কামরুজ্জামান’র অকাল প্রয়াণে নাগরিক শোকসভা। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে  শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বর্তমানে বেহাল দশা ভেড়ামারা রেলস্টেশন সংস্কার চায় তিন থানার মানুষ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশন ১৮৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত।
তারপর থেকে স্টেশনটি অবহেলিত হয়ে আছে।
ভেড়ামারা স্টেশনে প্রতি মাসে টিকিট বিক্রি ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার।
এই স্টেশনে ৩টি উপজেলার যাত্রীদের চাপ পড়ে।
তবুও কেন এতো অবহেলা,
ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশনের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় স্টেশনের ভবনগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদ ফেটে পানি পড়ছে, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, এবং দরজা-জানালা ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। প্ল্যাটফর্মের অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ। ইটের গাঁথুনি উঠে গেছে, এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্টেশনে বসার ব্যবস্থা নেই, এবং কোনো ছাউনি নেই। পানির সরবরাহ নেই, এবং কোনো টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। রাতে পুরো স্টেশন অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে, এবং কোনো বাতির ব্যবস্থা নেই।
​স্টেশনের এই অবস্থার কারণে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। ট্রেনে যাতায়াত করতে গিয়ে তারা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন যে সরকার অবিলম্বে এই স্টেশনের সংস্কার করবে এবং যাত্রীদের জন্য উন্নত সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করবে।
এই স্টেশনে ৩টি উপজেলার যাত্রীদের চাপ পড়ে।
​বর্তমানে ভেড়ামারা স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য ট্রেন যাতায়াত করে। ঢাকা, খুলনা, চিলাহাটি এবং রাজশাহীর পথে যাতায়াতকারী অনেক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি এই স্টেশনে রয়েছে। যদিও কালের বিবর্তনে অনেক পুরনো স্থাপনা জীর্ণ হয়েছে, তবুও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এখনো বিদ্যমান।
​ভেড়ামারা রেলস্টেশনের ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে থাকা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা পাওয়ার প্ল্যান্টের ইতিহাসও এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রেখেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT