২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

নাভারন ডিগ্রি ও মহিলা কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ শার্শা উপজেলার নাভারন ডিগ্রি ও নাভারন ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজের আয়োজনে শিক্ষার মান্নোয়নের লক্ষ্যে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি)পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০শে ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় নাভারন ডিগ্রী কলেজের ক্লাস রুম ভবনে নাভারন ডিগ্রী কলেজের প্রধান অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে এবং উপ- অধ্যাপক অসিত রঞ্জন চক্রবর্তীর পরিচালনায় ও দুপুর ১২টায় নাভারন ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজের প্রধান অধ্যক্ষ লাইলা আফরোজা বানুর সভাপতিত্বে ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী খন্দকার মার্জিয়া মেহ্জাবীনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর-১,শার্শা আসনের জাতীয় সংসদের সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন এমপি

মতবিনিময় সভায় এমপি শেখ আফিল উদ্দিন বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ছুটির দিনেও ক্লাস নিতে হবে। তোমাদের সৌভাগ্য যে আমার মতো একজন এমপি তোমাদের গাইড লাইন দিচ্ছে। পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হলে সকল বিষয়ে ভালোভাবে পড়ালেখা করতে হবে। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অনেক দক্ষ ও মেধাবী। এখন যে সময়টা আছে তা কাজে লাগাতে হবে। বোর্ড পরীক্ষায় যাতে সকল শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে পারো সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। নিয়মিত কলেজের অতিরিক্ত ক্লাস করানো হবে । প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে কলেজের উপস্থিত নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের ভূমিকা নিতে হবে ।

তিনি বলেন, তোমরা যদি ভালোভাবে পড়াশুনা কর তাহলে ভালো রেজাল্ট করতে পারবে। আমরা শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মনিটরিং এর ব্যবস্থা করব এবং শিক্ষকরা নিয়মিত বাড়িতে গিয়ে দেখবে তোমরা পড়াশুনা কর কিনা। শিক্ষার্থীরা মোবাইল, টিভি কম ব্যবহার করতে হবে । বিশেষ করে অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। যাতে তারা নিয়মিত পড়াশুনা করে। পরীক্ষায় শতভাগ প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। আপনাদের বুঝতে হবে আওমলীগ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কলেজ সহ সমগ্র দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য ৪তলা ভবন করে দিয়েছে। তিনি বলেন নতুন ভাবে তালিকা হচ্ছে যে কলেজ ও স্কুলে শিক্ষার্থী ৭৫ ভাগ উপস্থিত থাকতে হবে। শিক্ষকদের কোন গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি হুশিয়ারি দেন। এই তিন মাস শুক্র ও শনিবার ক্লাস নিতে হবে। এই সময় টিকে প্রধান অতিথী গ্লোডেন টাইম বলে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল হক মঞ্জু ,যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ-উদ-দৌলা অলোক সরদার,ঝিকরগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মুছা মাহমুদ,শার্শার ইউপি চেয়ারম্যান সোহরার হোসেন,
শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সর্দার, সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল,সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন রুবেলসহ নাভারন ডিগ্রী কলেজের শিক্ষকবৃন্দ,২০২০
সালের অনুষ্ঠতব্য এইচএসসি পরীক্ষার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুশীল সমাজের নাগরিক প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।