1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে বনবিভাগের অভিযানে ৭০ বস্তা ঝিনুক সহ ট্রাক আটক। বিলাইছড়ি উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচী চলমান । বিলাইছড়িতে সেচ্ছাসেবক দলের নিজ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ । কেশবপুরে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ /ধর্ষক গ্রেফতার। শ্যামনগরে বর্জ্য ও স্যানিটেশন কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ। ২৫ জুলাই-২৬ শণিবার কথাসাহিত্যিক মনোজ বসু’র জন্মদিন উপলক্ষে পাঁজিয়াস্থ ‘বিপ্রতীপ’-এর নানান আয়োজন। কেশবপুরে কওমী মাদরাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন, আবুল হোসেন আজাদ। বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো.জাকির হোসেন। বিলাইছড়িতে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে সমন্বয় সভা । জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম।

ডুমুরিয়ায় মৃৎশিল্পীরা ঝুকছে অন্য পেশায়,উপযুক্ত মাটির অভাবে নববর্ষের নেই তেমন ব্যস্ততা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিনকে ঘিরে বিশেষ করে মৃৎশিল্পীদের মাটির পণ্যের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। তাই এ সময়টুকু পাল পাড়ায় অনেক ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও ডুমুরিয়ায় এর ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। উপযুক্ত মাটির অভাবসহ আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধির কারণে ইতোমধ্যে অনেক পালেরা পেশা ছেড়েছে অন্য কাজে ঝুঁকে পড়েছে। যে কারণে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার মাটির পণ্যে শোভা পাচ্ছে ডুমুরিয়ায়।

জানা যায়, নববর্ষের পণ্য তৈরি নিয়ে তেমন ব্যস্ততা নেই ডুমুরিয়ার মৃৎশিল্পীদের। তাদের কারখানাগুলোতে এখন আর দেখা মিলছে সেই নান্দনিক নকশার মাটির পণ্য। তবে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার পণ্য জিক জাগ করছে ডুমুরিয়ার পালদের দোকানে। মাটির পণ্যের মধ্যে রয়েছে পান্তা-ইলিশের থালা, রঙিন কলস, মাটির ব্যাংক, বাহারি খেলনা, ফুলদানি, আলমারি, ডিনার সেট, শোপিস ও ঘরোয়া তৈজসপত্র। দোকানগুলোতে ব্যাপক বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। প্রতি বছর সরকারি-বেসরকারিভাবে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ধুমধামের সাথে বাঙালির ঐতিহ্য গাঁথা এদিনটি উদ্যাপন হয়ে আসছে। এদিকে বৈশাখির উপযুক্ত মাটির অভাব ও আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় বাংলা নববর্ষের মেলাকে ঘিরে ডুমুরিয়ার মৃৎশিল্পীদের মধ্যে নেই কোনো ব্যস্ততা। মাটির পণ্যের দোকানে শিশু থেকে শুরু করে সব ধরনের মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ডুমুরিয়া সদর ও রানাই পালপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় পালদের বেশ কয়েকটি কারখানা ঘুরে দেখা গেছে, ডুমুরিয়া প্রায় ৫/৬টি কারখানা রয়েছে। সেখানে তৈরি হয় মাটির তৈজসপত্র। কিন্তু উপযুক্ত মাটির অভাবে এসব কারখানাগুলোতে দৃষ্টিনন্দন কোনো পণ্য তৈরি করতে পারছে মৃৎশিল্পীরা। শুধু গতানুগতিক মাটির হাঁড়ি-কলসিসহ কিছু তৈজস পণ্য তৈরি করছে। তবে ক্রমান্বয় মাটির তৈরির পণ্যের উপর চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কারু শিল্পীরা। রানাই গ্রামের সঞ্জয় পাল জানান, একটা সময় পালেরা মাটির পণ্য তৈরি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এখন বাপ দাদাদের পেশা ছেড়ে এখন অন্য পেশায় ঝুঁকে পড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা-পার্বণ উপলক্ষ্যে পালদের তৈরি পণ্যের চাহিদা এখনো অনেক আছে।

মৃৎশিল্পী রুপক পাল জানান, এখন আগের চেয়ে মাটির পণ্য ক্রয় হচ্ছে। তবে ব্যাবসা খুব ভালো যাচ্ছে না। প্লাস্টিকে পণ্যের কারণে বাজারে মাটির তৈরির পণ্যের চাহিদা অনেক কমে গেছে। তবে কিছু মানুষ এ ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। আবার কেউ পেশা ছেড়ে দিয়েছে।

ডুমুরিয়া বারোআনি বাজারের অরুণ পাল জানান, মাটির পণ্যের চাহিদা এখন বাড়তে শুরু করেছে। তবে নববর্ষকে ঘিরে দৃষ্টিনন্দন মাটির পণ্য কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, বাউফল, ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকা দেখে ক্রয় করে ডুমুরিয়ায় এনে বিক্রি করছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT