1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে বর্ণিল সাজে বাংলা নববর্ষ পালিত। কয়রায় নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন । খুলনার দিঘলিয়ায় একনালা বন্দুক ও নগদ টাকাসহ আটক -১। খুবিতে উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপিত। স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩, নিরাপদ হোক সকলের জীবন। শ্রী মিশুক চন্দ্র ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। বিলাইছড়িতে বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন। কেশবপুরের মঙ্গলকোট কমিউনিটি ক্লিনিকে দুর্ধর্ষ চুরি হয়েছে। কেশবপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে জাকজমকপূর্ণভাবে চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জমকালো আয়োজনে  রোয়াংছড়িতে অনুষ্ঠিত হলো তঞ্চঙ্গ্যা জাতির বিষু মেলা ও ঘিলা খেলা ।

ডুমুরিয়ায় মৃৎশিল্পীরা ঝুকছে অন্য পেশায়,উপযুক্ত মাটির অভাবে নববর্ষের নেই তেমন ব্যস্ততা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিনকে ঘিরে বিশেষ করে মৃৎশিল্পীদের মাটির পণ্যের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। তাই এ সময়টুকু পাল পাড়ায় অনেক ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও ডুমুরিয়ায় এর ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। উপযুক্ত মাটির অভাবসহ আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধির কারণে ইতোমধ্যে অনেক পালেরা পেশা ছেড়েছে অন্য কাজে ঝুঁকে পড়েছে। যে কারণে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার মাটির পণ্যে শোভা পাচ্ছে ডুমুরিয়ায়।

জানা যায়, নববর্ষের পণ্য তৈরি নিয়ে তেমন ব্যস্ততা নেই ডুমুরিয়ার মৃৎশিল্পীদের। তাদের কারখানাগুলোতে এখন আর দেখা মিলছে সেই নান্দনিক নকশার মাটির পণ্য। তবে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার পণ্য জিক জাগ করছে ডুমুরিয়ার পালদের দোকানে। মাটির পণ্যের মধ্যে রয়েছে পান্তা-ইলিশের থালা, রঙিন কলস, মাটির ব্যাংক, বাহারি খেলনা, ফুলদানি, আলমারি, ডিনার সেট, শোপিস ও ঘরোয়া তৈজসপত্র। দোকানগুলোতে ব্যাপক বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। প্রতি বছর সরকারি-বেসরকারিভাবে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ধুমধামের সাথে বাঙালির ঐতিহ্য গাঁথা এদিনটি উদ্যাপন হয়ে আসছে। এদিকে বৈশাখির উপযুক্ত মাটির অভাব ও আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় বাংলা নববর্ষের মেলাকে ঘিরে ডুমুরিয়ার মৃৎশিল্পীদের মধ্যে নেই কোনো ব্যস্ততা। মাটির পণ্যের দোকানে শিশু থেকে শুরু করে সব ধরনের মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ডুমুরিয়া সদর ও রানাই পালপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় পালদের বেশ কয়েকটি কারখানা ঘুরে দেখা গেছে, ডুমুরিয়া প্রায় ৫/৬টি কারখানা রয়েছে। সেখানে তৈরি হয় মাটির তৈজসপত্র। কিন্তু উপযুক্ত মাটির অভাবে এসব কারখানাগুলোতে দৃষ্টিনন্দন কোনো পণ্য তৈরি করতে পারছে মৃৎশিল্পীরা। শুধু গতানুগতিক মাটির হাঁড়ি-কলসিসহ কিছু তৈজস পণ্য তৈরি করছে। তবে ক্রমান্বয় মাটির তৈরির পণ্যের উপর চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কারু শিল্পীরা। রানাই গ্রামের সঞ্জয় পাল জানান, একটা সময় পালেরা মাটির পণ্য তৈরি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এখন বাপ দাদাদের পেশা ছেড়ে এখন অন্য পেশায় ঝুঁকে পড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা-পার্বণ উপলক্ষ্যে পালদের তৈরি পণ্যের চাহিদা এখনো অনেক আছে।

মৃৎশিল্পী রুপক পাল জানান, এখন আগের চেয়ে মাটির পণ্য ক্রয় হচ্ছে। তবে ব্যাবসা খুব ভালো যাচ্ছে না। প্লাস্টিকে পণ্যের কারণে বাজারে মাটির তৈরির পণ্যের চাহিদা অনেক কমে গেছে। তবে কিছু মানুষ এ ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। আবার কেউ পেশা ছেড়ে দিয়েছে।

ডুমুরিয়া বারোআনি বাজারের অরুণ পাল জানান, মাটির পণ্যের চাহিদা এখন বাড়তে শুরু করেছে। তবে নববর্ষকে ঘিরে দৃষ্টিনন্দন মাটির পণ্য কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, বাউফল, ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকা দেখে ক্রয় করে ডুমুরিয়ায় এনে বিক্রি করছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT