1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে বনবিভাগের অভিযানে ৭০ বস্তা ঝিনুক সহ ট্রাক আটক। বিলাইছড়ি উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচী চলমান । বিলাইছড়িতে সেচ্ছাসেবক দলের নিজ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ । কেশবপুরে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ /ধর্ষক গ্রেফতার। শ্যামনগরে বর্জ্য ও স্যানিটেশন কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ। ২৫ জুলাই-২৬ শণিবার কথাসাহিত্যিক মনোজ বসু’র জন্মদিন উপলক্ষে পাঁজিয়াস্থ ‘বিপ্রতীপ’-এর নানান আয়োজন। কেশবপুরে কওমী মাদরাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন, আবুল হোসেন আজাদ। বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো.জাকির হোসেন। বিলাইছড়িতে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে সমন্বয় সভা । জনসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় প্রভাষক গাজী ফারুকে আজম।

কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কৃষকের ব্যপক ক্ষতি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৬ বার পঠিত

 

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।

যশোরের কেশবপুরে সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়ের কৃষকের ব্যপক ক্ষতি ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে বিস্তীর্ণ এলাকার ধানক্ষেত লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল-২৬) রাত ৯টার দিকে হঠাৎ আকাশে ঘন মেঘ জমে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়। অল্প সময়ের এই ঝড়েই উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের মাঠভর্তি আধাপাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার মূলগ্রাম, ভবানীপুর, হাবাসপোল, বেগমপুর, দোরমুটিয়া, বেলকাটি ও পাঁজিয়া অধিকাংশ জমির ২৮ জাতের ধান পড়ে গেছে। কোথাও পুরো ক্ষেত মাটিতে লেগে গেছে, আবার কোথাও আংশিকভাবে হেলে পড়েছে। ফলে ধানের শীষ মাটির সংস্পর্শে আসলে এবং বর্ষার পানি জমলে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিবে।
উপজেলার দোরমুটিয়া গ্রামের কৃষক হুমায়ূন কবির, আব্দুস সামাদ ও আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আকস্মিক এই ঘূর্ণিঝড়ে তাদের ক্ষেতের ধান পড়ে গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, পড়ে থাকা ধান দ্রুত কাটা না গেলে চিটা হয়ে যেতে পারে এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। একই চিত্র বেলকাটি গ্রামেও। কৃষক শহিদুজ্জামান বলেন, চোখের সামনে সব ধান মাটিতে লুটিয়ে আছে। ঝড়ে পড়ে যাওয়া ধান চিটে হয়ে যায়। এই ধানই ছিল আমাদের সারা বছরের ভরসা। অনেক কষ্ট করে জমি চাষ করেছি, ঋণ নিয়ে সার-বীজ কিনেছি। এখন বড় দুশ্চিন্তায় আছি। অধিকাংশ কৃষক জানান, ঝড়ের সময় বাতাসের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেতেই শক্ত গাছও টিকে থাকতে পারেনি।
তবে এ পরিস্থিতিতে কিছুটা আশার কথা জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান পড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ ধান পাকার কাছাকাছি থাকায় চিটা হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম।’ তিনি আরও জানান, ‘জমির উর্বরতা বেশি হওয়া এবং অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে ধানের গাছ নরম হয়ে যায়, যা ঝড়ে সহজে পড়ে যায়। তবে দ্রুত ধান কেটে ফেলতে পারলে ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। মাটিভেদে সার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও ক্ষেয়াল করার প্রয়োজন।
ছবিঃ
১০/০৪/২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT