1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সুন্দরবনের দস্যু বাহিনীর ৫২ জনের আত্মসমর্পণ। বিলাইছড়িতে সাপ্তাহিক চৌকিদার প্যারেড অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় চৌকিদারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ। জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে দেশের জনগণকে একত্রিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেন-এমপি, ফজলুল হক মিলন। কেশবপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মেশকাতুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত। পাটকেলঘাটায় বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত। তালায় দুর্নীতিবাজ নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের খুটির জোর কোথায , তার বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ। তালায়  বি,সি,আই,সি ও বি,এ,ডি,সি সার ডিলারদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত। মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ-ওসি, মো. জাকির হোসেন।

কেশবপুরে ডেঙ্গু রোধে ৩টি নদীর কচুরিপনা অপসারণ শুরু।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৫ বার পঠিত

আজিজুর রহমান,কেশবপুর(যশোর):

কেশবপুরে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ৩টি নদীর কচুরিপনার অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কচুরিপনার কারণে হরিহর নদ, খোঁজাখালি খাল ও বুড়িভদ্রা নদীতে দীর্ঘদিন পানি প্রবাহে বাধাগ্রস্ত হয়ে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।
আবদ্ধতার কারণে এলাকায় এডিস মশার বংশবিস্তার বৃদ্ধি পায়। গত দু’দিনে ১৭ ব্যক্তি ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে এডিস মশার বংশবিস্তার বৃদ্ধির অন্যতম স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয় শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত কচুরিপনায় আবদ্ধ নদ-নদীগুলো। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০ জন শ্রমিক দিয়ে মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর থেকে হরিহর নদ থেকে উৎপত্তি খোঁজাখালি খালের কচুরিপনা অপসারণের কাজ শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে শহর কেন্দ্রীক হরিহর ও বুড়িভদ্রার কচুরিপনা অপসারণ করা হবে। কেশবপুর পৌরসভার কাউন্সিলর শেখ আতিয়ার রহমান এ প্রতিনিধি কে বলেন,সম্প্রতি এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনকে অবহিত করা হয়। তিনি (ইউএনও) জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতায় খোঁজাখালি খালের কচুরিপনার অপসারণের উদ্যোগ নেন। খোঁজাখালির উৎপত্তিস্থল থেকে মধ্যকুল স্লুইস গেট পর্যন্ত কচুরিপনা অপসারণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আহসানুল মিজান রুমী বলেন, গত দু’দিনে ১৭ ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর হোসেন বলেন,কেশবপুর শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদী কচুরিপনায় আবদ্ধ হয়ে পড়ায় এডিস মশা বংশবিস্তার করছে। শুধু আবদ্ধ নয়, পরিষ্কার পানিতেও এডিস মশা জন্মায়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু বিস্তার রোধে হরিহর নদ থেকে উৎপত্তি খোঁজাখালি খালের কচুরিপনা অপসারণের কাজ শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে হরিহর নদ ও বুড়িভদ্রা নদীর কচুরিপনা অপসারণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT