1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা। জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফে আসন্ন মহা পবিত্র উরস শরীফ ২০২৭ দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত। বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। সাতক্ষীরায় তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।  হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে লীজ কৃত জলাশয়ে মাছ শিকারে বাঁধা দেওয়ায় হামলার ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু। কেশবপুরের মজিদপুরে পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ উদ্যোগে ‘ভিলেজ ডিফেন্স কমিটি’ গঠন। প্লাস্টিক-পলিথিনের দূষণ রোধে শ্যামনগরে শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা।

বিলাইছড়িতে যোগাযোগ ও কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে ৭ টি জায়গায় খনন  প্রয়োজন ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৯ বার পঠিত

কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি(রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ১৮০ দিনের কর্মসূচীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি  খাল খনন এবং এর পাশাপাশি নালা খননের মাধ্যমে কৃষিতে ব্যাপক উন্নয়ন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টরা। এতে  রাঙ্গামাটিতেও ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় কাপ্তাই হ্রদ খনন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং হবে । পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এসব দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বা হবে  প্রকল্পসমূহঃ- উন্নয়ন  শতভাগ বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পগুলো, বিশেষ করে কাপ্তাই হ্রদ খনন এবং নদী-নালা, খাল ও জলাধার পুনঃখনন অগ্রাধিকার পাবে।সামাজিক নিরাপত্তা: সাধারণ মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম দ্রুত দৃশ্যমান করা পরিবেশ ও কৃষি: ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সুশাসন: উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে  পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান জানিয়েছেন,। এই কর্মসূচি পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন সুসংহত করবে।

 

এর মধ্যে বিলাইছড়ি উপজেলায় ১৯৮০ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ফারুয়া এগুজ্যাছড়িতে খাল ও নালা  খনন করে সেখানে জমি সৃষ্টি করে হাজারো মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। এতে সরেজমিনে স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে বর্তমানে খালের পাশে  ছড়ার নালাটি খনন করা জরুরি প্রয়োজন। মাঝখানে দীঘির মত পানি জমে রয়েছে। নালা খনন না করলে প্রতিবছর চাষাবাদ করা সম্ভব নয়। তবে তারা আরও জানান প্রায় ১ কিলোমিটারের মতো নালা খনন করতে  হবে। এগুজ্যাছড়ি জায়গায় খনন হলে ঝাংবিল এলাকার জলাবদ্ধতা দুর হবে এতে প্রায় ৪০-৫০ একর জমি ধানচাষ করতে পারবে। তবে একটা সমস্যা হলো বর্ষা মৌসুমে বন্যা হলে পলি/কাদা জমে ভরাট হয়ে যায়।

 

অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে নৌচলাচলের জন্য   S বেন্ড হতে উপজেলা সদরে নৌপথে  যাতায়াতের সুবিধার জন্য  ছয়-সাত কিলোমিটারের খালটি খনন করার কথা থাকলেও তা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন নৌপথে চলাচলের যাত্রী ও বোট মালিকরা। রয়েছে উপজেলা সদর হতে নৌপথ ফারুয়া ইউনিয়ন সদর হতে  প্রায় ৬০ কিলো নৌ-পথ  শুকনো সিজনে মোটেই বোট চলাচল করতে পারে না। এছাড়াও  রাইংখ্যং খালের বাঘিমং এলাকা  হতে – কুতুব দিয়ার সুনীল কান্তি দেওয়ান এর জায়গায় নতুবা নমুন্য ঘনা বা এর পাশাপাশি হতে  ৪০০ মিটারের মত জায়গায়  মাটি খনন করে সহজে ফুঁড় করা সম্ভব।  বর্ষা মৌসুমে স্রোতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়ে  কুতুব দিয়া দিকে পলি ঢুকে জমিগুলো ভেসে উঠে  চাষাবাদে উপযোগী করা হলে। এতে প্রায় ৫০০ একর জমি চাষযোগ্য হবে। আরো রাইংখ্যং নদী হতে   মাছকাবা ছড়া বিলে প্রায় ১২০০ ফুটের মতো জায়গা নালা বা ড্রেন করতে পারলে পুরো মাছকাবা ছড়া পানিটা রাইলখ্যং খালে পড়বে। এতে ভেসে উঠবে প্রায় ২০০ একর জমি । এছাড়াও আমতলী হতে রাম দেওয়ানে ভিটার কাছাকাছি  পর্যন্ত রাইংখ্যং খালের সঙ্গে সংযোগে নালা খনন, কিলাছড়ি মূখ হতে ভাবনা কেন্দ্র ৩০০ ফুট ফুঁড় করা প্রয়োজন এবং একইভাবে মো: সুরেশ দোকানের পাশে হতে কেংড়াছড়ি যাওয়ার জন্য নালা খননের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

 

উল্লখ্য যে, শহীদ  রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুজ্জীবনে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক ‘খাল খনন’ কর্মসূচি গ্রহণ করেন।  এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমানো  এই প্রকল্পের আওতায় ১৯৭৭-৮১ সালের মধ্যে প্রায় ৩,৬৩৬ মাইল খাল খনন হয়। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা,বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি। স্বেচ্ছাশ্রম ও অংশগ্রহণ: এই কর্মসূচিটি জনগনের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল, যেখানে সাধারণ মানুষ নিজ উদ্যোগে কোদাল হাতে মাটি কেটে খাল খনন করতেন।

ইতিবাচক প্রভাব: এই কর্মসূচির ফলে অন্তত ৫২ লাখ একর জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পায়, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া মাছ উৎপাদন ও নৌ চলাচলও সহজ হয়। উলাসী খাল প্রকল্প: যশোরের উলাসী খাল খনন ছিল এই কর্মসূচির প্রথম ও অন্যতম সফল উদাহরণ, যা এই কর্মসূচিকে জাতীয় স্বীকৃতি দেয়। এটি বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়নে ‘জিয়া মডেল’ হিসেবেও পরিচিত ছিল  বর্তমানে এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে নতুন করে খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।একিভাবে বিলাইছড়িতেও এভাবে করতে পারলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, আর্থসামাজিক, যোগাযোগ, শিক্ষা  এবং স্বনির্ভর উপজেলা গড়ে তুলতে পারলে যা মডেল হয়ে থাকবে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড.দীপেন দেওয়ানের সুদৃষ্টির প্রয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT