পহেলা বৈশাখ থেকে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হবে বলেও তিনি জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এসব সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ রাজস্ব খাত থেকেই আসবে, এর জন্য বাড়তি টাকা ছাপানোর প্রয়োজন হবে না, ফলে মূল্যস্ফীতির কোনো ঝুঁকি নেই।কর প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, প্রায়ই দেখা যায় বড় ব্যবসায়ীরা কর ফাঁকি দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন, অথচ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ওপর কর কর্মকর্তারা অন্যায্য চাপ সৃষ্টি করেন। এই বৈষম্য দূর করতে হবে।করদাতাদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে কর দানে উৎসাহিত করার পরামর্শও দেন তিনি।
খুলনার আঞ্চলিক অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বকুল বলেন, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হলেও খুলনার শিল্প এখন ধ্বংসের পথে। বিশেষ করে মৎস্য শিল্প আজ হুমকির মুখে।
তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, অবহেলিত এই অঞ্চলে কুটির শিল্প থেকে শুরু করে বৃহৎ শিল্পকারখানা পুনরায় গড়ে তোলার মাধ্যমে অর্থনীতিকে সচল করা হবে। পরিশেষে তিনি একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও জনবান্ধব কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।