২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সারাদেশে বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ২৫১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশে বন্যার প্রভাবে এখন পর্যন্ত ২৫১ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রবিবার (৩০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়। বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া বন্যায় দেশের মোট ১৬০টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সারাদেশে বন্যার প্রভাবে এখন পর্যন্ত ২৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলে ৪১, জামালপুরে ৩২, মানিকগঞ্জে ২৬, কুড়িগ্রামে ২৪, লালমনিরহাটে ১৯, গাইবান্ধায় ১৬, সিরাজগঞ্জে ১৫, কিশোরগঞ্জে ১১, মুন্সিগঞ্জে ১০, ঢাকায় ৯, শরীয়তপুর ও সুনামগঞ্জে ৮ জন করে, নেত্রকোনায় ৭, গাজীপুর ও রাজবাড়ীতে ৬ জন করে, রংপুরে ৪, নীলফামারী, বগুড়া, ফরিদপুর, নওগাঁ ও গোপালগঞ্জে ২ জন করে মৃত্যুবরণ করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, বন্যাকবলিত এলাকার মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, মাদারীপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর ও নেত্রকোনার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে ১ হাজার ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করেছে।

এদিকে, বিশ্বজুড়ে বন্যার অন্যতম হটস্পট বাংলাদেশ সম্পর্কে সর্বশেষ গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী জলবায়ুর প্রভাবে ২৫০ মিলিয়ন উপকূলবাসী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে।পরবর্তী ৮০ বছরে জনসাধারণের চারপাশে বন্যার পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা লাখ লাখ উপকূলীয় বাসিন্দাকে বিপন্ন করে তুলবে। মানুষ যদি জীবাশ্ম জ্বালানি আরও বেশি পরিমাণে জ্বালাতে থাকে এবং  প্রাকৃতিক বন ধ্বংস করে তবে আরও ৭৭ মিলিয়ন মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারে যা ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি