২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রূপসার শিয়ালী গ্রামে মন্দির-প্রতিমা-বাড়িঘর ভাংচুরের প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের মানববন্ধন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খুলনা প্রতিনিধি।

 

খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামে ৭ আগস্ট মন্দির-প্রতিমা-বাড়িঘর-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর-লুটপাটের প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোট, খুলনা’র উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাম গণতান্ত্রিক জোট খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেলের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশর কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, অরুণা চৌধুরী, জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. এম এম রহুল আমিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সমরেশ রায়, সম্পাদকম-লীর সদস্য মোস্তফা খালিদ খসরু, সিপিবি খুলনা মহানগর সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসীম আনন্দ দাস, সিপিবি নেতা সুতপা বেদজ্ঞ, মিজানুর রহমান বাবু, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, খুলনা জেলা সভাপতি আব্দুল করিম, টিইউসি নেতা রুস্তম আলী হাওলাদার, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম, খুলনা জেলা সভাপতি কোহিনুর আক্তার কণা, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা কে এম হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, মহানগর সভাপতি আফজাল হোসেন রাজু, সহ-সভাপতি শাহ ওয়াহিদুজ্জামান জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রবিউল ইসলাম রবি, যুব নেতা হরষিত ম-ল, মানছুরা জুই, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নেতা অজয় মজুমদার, শেখ শহিদ, ইলিয়াস আকন, হারুনুর রশীদ, পাটকল আন্দোলন নেতা আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, শামস শারফিন শ্যামন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন খুলনা মহানগর আহ্বায়ক আল আমিন শেখ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী গ্রামের চিহ্নিত উগ্র একদল সন্ত্রাসী সশস্ত্র অবস্থায় সুপরিকল্পিতভাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলা চালিয়ে যে ন্যাক্করজনক ঘটনা ঘটিয়েছে তা অত্যন্ত ঘৃণ্য ও নিন্দনীয়। বক্তারা ঐ সময় উপস্থিত প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। বর্তমানে উক্ত এলাকার সংখ্যালঘুরা মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বক্তারা এহেন জঘণ্য ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, দ্রুত মন্দিরগুলো পুনঃ সংস্কার, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি