২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ডুমুরিয়ায় মিকমিমিল বাইপাস সড়ক দুর্ঘটনায় আলমসাধু চালক নিহত, আহত -৩।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ডুমুরিয়ায় মিকমিমিল বাইপাস সড়ক দুর্ঘটনায় আলমসাধু চালক নিহত, আহত ৩

সরদার বাদশা নিজস্ব প্রতিবেদক
খুলনা ডুমুরিয়ায় উপজেলার মিকশিমিল বাইপাস সড়কের খাজুরা এলাকায় আলমসাধু ও মোটরভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভ্যানের চালক নিহত হয়েছেন এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৩ জন গতকাল রবিবার ৫শে নভেম্বর বেলা ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে । নিহত ভ্যান চালক জাহাতাপ আলি মোল্লা(৪৫) মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর এলাকার আনছার আলি মোল্লার ছেলে বলে জানা গেছে আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর এলাকা থেকে জাহাতাপ মোল্লা মোটরভ্যান যোগে আসাদ তরফদার (৪২) ও কামাল হোসেন তরফদার (৪৫) গাছ থেকে ভাইরাস সংগ্রহ করতে ডুমুরিয়া অভিমুখে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি আলমসাধু চালক মাগুরা জেলার শালিখা উপজেরার গঙ্গারামপুর এলাকার মিজানুর শেখের ছেলে তৈয়ব আলি শেখ (২০) ভ্যানটিতে সজোরে ধাক্কা দেয়। প্রচন্ড আঘাত পেয়ে ভ্যানটি ভেঙে চুরে দুমড়ে মুচড়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ভ্যান চালক জাহাতাপ আলির মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ও ফেটে গিয়ে রক্তাক্ত জখম হয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। এ সময় ভ্যানে থাকা আসাদ তরফদার, কামাল তরফদার ও আলমসাধু চালক তৈয়ব আলি শেখ গুরতর আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি দল হতাহতদের উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ডুমুরিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন কতৃপক্ষ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সেখ করি মিয়া বিপিএম,ও রঘুনাথপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হাওলাদার সানোয়ার মাসুম। ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান সংবাদ পাওয়া মাত্রই ফায়ার সার্ভিস ডিফেন্স সিস্টেমের একটি দল ঘটনাস্থানে পৌঁছিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি