খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ
অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ
খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিমান সাহার নেতৃত্বে জেলার প্রত্যেকটি উপজেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ করেছেন খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ।
খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিমান সাহা জানান, কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের ২৬ দফা নির্দেশনা মেনে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং টিম প্রতি বছরের ন্যায় এবারও জেলার প্রত্যেকটি উপজেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৮২ হলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সনাতনীদের মেলবন্ধন অটুট রাখতে পূজা পরিষদ অদ্যাবধি কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যশা ব্যাক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকার ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগীতার জন্য ভূয়োশী প্রশংসাও করেন।
তিনি আরো বলেন, চলতি বছর খুলনা জেলার ৯টি উপজেলায় ৮৯০টি ও ২টি পৌরসভায় ৭৭ টি মোট ৯৬৭টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠনের মাধ্যমে এই মনিটরিং সেল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন বলেও জানান তিনি। সাথে সাথে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের গঠিত মনিটরিং সেলের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে সুবিধা অসুবিধা সমাধান করে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রেখে কাজ করেছেন পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং টিম।
শারদীয় দুর্গোৎসবের সপ্তমীর তিথি থেকে রূপসা, তেরোখাদা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, কয়রা, পাইকগাছা, ডুমুরিয়া, দীঘলীয়া, ফুলতলা ও২টি পৌরসভার পূজা পরিদর্শণ এবং বিজয় দশমীতে দোলখোলার শীতলাবাড়ীর শ্রীশ্রী শিতলামাতা ঠাকুরানী মন্দিরে পুষ্পাঞ্জলী শেষে খুলনার বড়বাজার দূর্গা মন্দিরে পূজা পরিদর্শণ শেষ করেন।
তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি রতন কুমার মিত্র, অধ্যক্ষ অজিত কুমার বিশ্বাস ও প্রভাষক গৌর চন্দ্র ঢালী, উপদেষ্টা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী, শিমুল কুমার দাস, প্রবীর রায়, সাগর সাহা, ইঞ্জিঃ উজ্জ্বল কুমার পাল, গনেশ চন্দ্র মণ্ডল, অরবিন্দ মহালদার, সাংবাদিক দিলীপ কুমার বর্মণ, বিশ্বনাথ সাহা, দেবাশীষ কুমার দে গোপাল চন্দ্র বণিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ সরকার রিন্টু, দপ্তর সম্পাদক সুমন দাস, মাধুরী মন্ডল, শিলা রানী মন্ডল, পূর্ণিমা পাল, আশীষ কুমার সিনহা উৎপল, দিপঙ্কর মন্ডল লিটন, প্রশান্ত কুমার মন্ডল, বিশ্বজিৎ পাল, অতনু কর বাপ্পা, বিপুল রায় চৌধুরী, অলোক শীল, অরবিন্দ কুমার মন্ডল, গোবিন্দ দত্ত, তরুন সরকার, তপন চক্রবর্তী, শংকর সাহা, জগদীশ চন্দ্র দে, ব্রজেন্দ্র নাথ মন্ডল, কৃষ্ণেন্দু দত্ত, সুজন মন্ডল, সুমন দে, মিঠুন কুমার দে মিঠু, রঞ্জন কুমার সাহা, লিটন বিশ্বাস, নিভানন রায়, মানবেন্দ্র মন্ডল, অভিজিৎ সরকার রাহুল, নির্মল চন্দ্র বৈরাগী, প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, শক্তি পদ বসু, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অরবিন্দু প্রসাদ সাহা, শংকর বালা, সৌমিত্র দত্ত, প্রদীপ বিশ্বাস, এ্যাড. অম্বিকা চরন সানা, দিলীপ কুমার বৈরাগী, গোবিন্দ বিশ্বাস, প্রবীর রায় বাপ্পী, চিন্ময় বিশ্বাস, অধ্যাপিকা লিপিকা বৈরাগী, রাম প্রসাদ রায়, প্রভাষক বিদ্যুৎ কুমার রায়, অনুপম মিত্র, রনজিত বোস বিশু, প্রাণ কৃষ্ণ দাস, হিমাদ্রী শেখর দে, রাম মন্ডল, দ্বীপ মিস্ত্রি, শুভ মন্ডল, শুকেন্দু মন্ডল বুলবুল ও অনন্ত রায় হৃদয় প্রমুখ।