২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

‌নোয়াখালীতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ বেল্লাল হোসেন নাঈম।

 

 

নোয়াখালীতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন উপজেলায় ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়।

 

রোববার (৭ নভেম্বর) বিভিন্ন সময়ে সুধারাম, চাটখিল, কবির হাট, সোনাইমুড়ী, হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ, সবর্ণচর উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

 

নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলা ও জেলা শহর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শাহ জাহানের মাইজদী শহরের বাসভবনে সকালে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

‌নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রহমান সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন, সাবেক নোয়াখালী জেলা যুবদল সভাপতি মাহবুব আলমগীর আলো, জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কিরণ, সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি সলিমুল্লাহ বাহার হিরন, নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপি সভাপতি আবু নাছের, সদর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসিম উদ্দিনসহ জেলা উপজেলা পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি যুবদল ছাত্রদল স্বেচ্ছাসেবক দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

‌উনার বাসভবনের সামনে পুলিশ সকাল থেকে অবস্থান নেয়, বিএনপিও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে পুলিশের বাধায় পড়ে বলে অভিযোগ করেন জেলা নেতৃবৃন্দ।

 

অপরদিকে, বিকাল ৩টার দিকে চাটখিল উপজেলায় পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে নোয়াখালী জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আনিছ আহমেদ হানিফের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ জাহান রানা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবু হানিফ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আরেফিন শামীম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত আলী ভুট্টো, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক নুরুল হুদা পিন্টু, পৌর যুবদলের সাবেক আহবায়ক সুলতান বাবর। আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি যুবদল স্বেচ্ছাসেবকদল ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

কবির হাটে বিকাল ৪টার দিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুর রহিম চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপির সদস্য নাজমুল হুদা ফরহাদ , কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি একরাম উদ্দীন প্রমূখ।

কবির হাট উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বক্তারা বলেন, আজকের এই দিনে স্বাধীনতা রক্ষায় দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঢলে ঢাকার রাজপথে এক অনন্য বিস্ফোরণে ক্যান্টনমেন্ট থেকে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়। পাল্টে যায় দেশের পটভূমি পরিবর্তনে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রভাবমুক্ত হয়ে শক্তিশালী এক জাতীসত্ত্বা লাভ করে বাংলাদেশ।

 

সোনাইমুড়ীতে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে সোনাইমুড়ি দলীয় কার্যালয়ে ও সোনাইমড়ি পৌরসভার সাবেক মেয়র মোতাহের হোসেন মানিক সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল হক কামাল।

এছাড়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি, শ্রমিকদল , কৃষকদল, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা বক্তব্য রাখেন।

 

কোম্পানীগঞ্জে সকাল ১১টার দিকে বসুরহাট বাজারের তাকিয়া রোডে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবের নিজস্ব কার্যালয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপনের সভাপতিত্বে ও চরহাজারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য কাজী ইকবাল,আব্দুল হাই, হাফেজ আব্দুল হক শাহজাহান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফজলুল কবির ফয়সল, সদস্য সচিব জাহিদুর রহমান রাজন, যুগ্ম-আহ্বায়ক আজিজুল হক রাজু, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মাজহারুল হক তৌহিদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি সামছুউদ্দিন হায়দার, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতোয়ার হোসেন পাভেল প্রমূখ।

 

এ সময় বক্তারা বলেন, ৭ই নভেম্বর সিপাহী জনতার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান কে জেল থেকে মুক্ত করে, পাল্টে যায় দেশের পটভূমি । এদিন থেকেই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হয়।

 

এছাড়াও হাতীয়া, সুবর্ণচর, সেনবাগ, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুবদল ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত করা হয়।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।