১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গজারিয়া হারানো শিশুকে উদ্ধার ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওসমান গনি গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সিগঞ্জর গজারিয়া উপজেলা হারানো শিশুকে উদ্ধার মা বাবা কাছে ফিরিয়ে দিলো গজারিয়া থানা পুলিশ।

মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার জিডি মূলে হারানো শিশু রেনেছা আক্তার (০৮) কে অভিভাবকের কাছে ফিরিয়ে দিলেন এসআই সুজিত সরকার। গত ২২ আগস্ট সকাল অনুমান ৯.০০ ঘটিকা সময় রেনেছা আক্তার (০৮) নানার বাসা হতে খেলাধুলা করার কথা বলিয়া আর বাসায় ফিরে আসে নাই। বিভিন্ন জায়গায় খুজাখুজি করিয়া না পাইয়া ২৩ আগস্ট রাত নিখোঁজ হওয়া শিশুটির নানা গজারিয়া থানায় আসিয়া একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। উক্ত সাধারণ ডাইরী খানা গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোঃ রইছ উদ্দিন সাহেব হতে প্রাপ্ত হয়ে গজারিয়া তদন্ত কেন্দ্রের এস আই সুজিত সরকার নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধার কাজে লেগে পড়েন। অদ্য ২৬ /০৮/২১ তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় এসআই সুজিত সরকার জানতে পারেন যে নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর থানার লঞ্চ টার্মিনালে এমন একটি শিশুকে দেখা গিয়েছে। পরবর্তীতে এসআই সুজিত সরকার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিয়া উক্ত স্থান হতে সঙ্গীয় ফোর্স এর সহায়তায় শিশু উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি