২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

১৩ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধি: বিশ্ব ব্যাপি করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশি নাগরিক দের ১৩ মার্চ বিকাল ৫ টা থেকে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার। তবে ভারতীয় নাগরিক দের বাংলাদেশে প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এবং দু দেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি সচল থাকবে।

শুক্রবার( ১৩ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫ টা থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিক দের ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার। তবে ভারতীয় নাগরিক দের বাংলাদেশে প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

জানা যায়, বর্তমানে ভ্রমণ, চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক কাজে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে প্রতিদিন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এসব যাত্রীদের মধ্যে ১২ শতাংশ রয়েছে বিদেশি যাত্রী।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, করোনা ভাইরাস রোধে ভারতীয় ইমিগ্রেশন বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে এক চিঠিতে জানিয়েছে আগামী ১৩ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের নাগরিকরা ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। যে সব বাংলাদেশি নাগরিক ১৩ মার্চ বিকাল ৫ টার আগে ভারতে প্রবেশ করবে তারাই আবার দেশে ফিরতে পারবে।

তিনি আরো জানান, শুধুমাত্র কূটনৈতিক, সরকারি, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরতরা ভারতে প্রবেশ করতে পারবে। এছাড়া ভারতীয় নাগরিক দের বাংলাদেশ প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করিনি বাংলাদেশ সরকার। শুরু মাএ চিন,ইরান,ইতালি ও দক্ষিন করিয়ার নাগরিক দের বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ইনসেরে জেমী জানান, এখনো পর্যন্ত আমদানি রপ্তানি সাভাবিক রয়েছে। আমাদের কাছে আমদানি রপ্তানি বন্ধের কোনো নির্দেশনা আসেনি।
১৩ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধি: বিশ্ব ব্যাপি করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশি নাগরিক দের ১৩ মার্চ বিকাল ৫ টা থেকে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার। তবে ভারতীয় নাগরিক দের বাংলাদেশে প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এবং দু দেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি সচল থাকবে।

শুক্রবার( ১৩ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫ টা থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিক দের ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার। তবে ভারতীয় নাগরিক দের বাংলাদেশে প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

জানা যায়, বর্তমানে ভ্রমণ, চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক কাজে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে প্রতিদিন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এসব যাত্রীদের মধ্যে ১২ শতাংশ রয়েছে বিদেশি যাত্রী।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, করোনা ভাইরাস রোধে ভারতীয় ইমিগ্রেশন বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে এক চিঠিতে জানিয়েছে আগামী ১৩ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের নাগরিকরা ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। যে সব বাংলাদেশি নাগরিক ১৩ মার্চ বিকাল ৫ টার আগে ভারতে প্রবেশ করবে তারাই আবার দেশে ফিরতে পারবে।

তিনি আরো জানান, শুধুমাত্র কূটনৈতিক, সরকারি, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরতরা ভারতে প্রবেশ করতে পারবে। এছাড়া ভারতীয় নাগরিক দের বাংলাদেশ প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করিনি বাংলাদেশ সরকার। শুরু মাএ চিন,ইরান,ইতালি ও দক্ষিন করিয়ার নাগরিক দের বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ইনসেরে জেমী জানান, এখনো পর্যন্ত আমদানি রপ্তানি সাভাবিক রয়েছে। আমাদের কাছে আমদানি রপ্তানি বন্ধের কোনো নির্দেশনা আসেনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি