২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

হারাগাছ মেট্রো থানা পুলিশের ওপেন হাউজ ডে আইনি সেবায় কোন হয়রানি নয়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

হারাগাছ মেট্রো থানা পুলিশের ওপেন হাউজ ডে আইনি সেবায় কোন হয়রানি নয়

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
পুলিশ জনগণের শত্রু নয়, বন্ধু। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি জঙ্গি সন্ত্রাস নাশকতা মূলক অপরাধ সহ সামাজিক অবক্ষয় রোধে মাদক জুয়া নির্মূল ও বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে সঠিক সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন।
আজ বুধবার দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানা আয়োজনে হারাগাছ মাধ্যমিক স্কুল হলরুমে আয়োজিত পুলিশের ওপেন হাউজ ডে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশের কাছে আইনী সেবা পেতে কোন হয়রানি নয়। পুলিশ জনগণের শত্রু নয়, বন্ধু। যে কোন অপরাধ দমনে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে সঠিক সেবা গ্রহণ করুন। যারা পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে হয়রানি করবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবার যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা পুলিশ সদস্য আইনি সেবা গ্রহণকারীকে হয়রানি করে কিংবা অভিযোগ গ্ৰহনে অনীহা প্রকাশ করে বা আইনি সেবার জন্য অর্থ দাবি করে এ ব্যাপারে আমাদের কাছে তথ্যসহ মুঠোফোনে বা লিখিত অভিযোগ করলে আমরা দ্রুত তদন্ত করে সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন অপরাধে হারাগাছ থানার বেশ কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে ইউনিট থেকে বদলি করা হয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) আল ইমরান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শওকত আলী সরকার, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ, হারাগাছ কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জামিল আক্তার, জালাল আহমেদ প্রমুখ।

উপ পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, পুলিশ জনগণের সেবক হয়ে সবসময় পাশে থেকে কাজ করছে। মাদকের সঙ্গে কোনও আপষ নেই।” মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের ব্যাপারে তথ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, পুলিশের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এলাকায় এলাকায় বিট পুলিশিং কার্যক্রম চালু রয়েছে। যে কোন মানুষ আইনি সেবা পেতে বিট পুলিশিং কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বাল্যবিয়ে ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে থাকতে হবে। সবাই সচেতন হলেই দেশ থেকে মাদক, জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তি, কমিউনিটি পুলিশিং নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষের বিভিন্ন আইনি সেবা বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি