১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

হাজীগঞ্জে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিসহ হতদরিদ্র পরিবারের আগুনে ৭টি বসতঘর পুড়ে ছাই।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী, চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

 

হাজীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭ বসত ঘর পুড়ে ছাই এবং মাথা গোজার ঠাঁই হারিয়েছে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিসহ হতদরিদ্র পরিবার।

০৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাত ১০টায় পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কংগাইশ গ্রামে আটিয়া বাড়ীতে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে । ঐ বাড়ীর মৃত আ: সাত্তার আটিয়ার ছেলে হতদরিদ্র মনির হোসেন (৩২)-এর ঘর থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে বলে জানা যায়। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি এক ভাইসহ মনির হোসেনরা তিন ভাই এক সাথে এই ঘরে বসবাস করতেন। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বাকীরা হলেন মো: হারুন (৫৫), মো. আবদুল মান্নান (৬০),পিতা মৃত আ: জব্বর, আমিন মিয়া (৩৮) পিতা মৃত ওমর আলী, মো: এমরান হোসেন পিতা আবু তাহের, মোঃ সোহাগ ও মোঃ শরীফ হোসেন-পিতা আবদুছ ছাত্তার, ।

স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, রাত ১০টার দিকে আগুন আগুন চিৎকার শুনে আমরা ঐ বাড়ীতে দৌড়ে যাই এবং ৯৯৯ ফোন করি আর আমরা আগুন নিভানোর চেষ্টা চালাই। অবশেষে হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিভায়। ততক্ষণে মনিরের বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে অন্য আরও চারটি ঘরে আগুন লেগে গেছে । হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের এসএসও সাজেদুল কবির জোয়ারদার বলেন-আমরা খবর পেয়েছি আগুন লাগার অনেক পরে। ঘটনাস্থল থেকে ৯৯৯ এ ফোন দেওয়া হলে ষেখান থেকে আমাদের জানানো হয় এবং জানার সাথে সাথে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং আধা ঘন্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হারুনুর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে আমাদের থানা পুলিশ সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করি।

গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হাজীগঞ্জ পৌর মেয়র আ.স.ম মাহবুব উল আলম লিপনসহ পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি