১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের ৯৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্বপন রবি দাশ, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকেঃ

 

গতকাল ৫ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের ৯৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন দৈনিক হবিগঞ্জ পত্রিকা সম্পাদক প্রকাশক প্রকৌশলী সুশান্ত দাস গুপ্ত এবং সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন লেখক ও গবেষক মোঃ নুরুজ্জামান (মানিক)। ‘সত্যের লড়াইয়ে অবিচল’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ জেলায় একটি প্রেস ক্লাব গঠনের লক্ষ্যে এ বছরের ১১ মার্চ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে হবিগঞ্জ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রকৌশলী সুশান্ত দাস গুপ্তের সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সাংবাদিকগন হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাব নামে একটি প্রেস ক্লাব গঠনের লক্ষ্যে ঐক্যমতে পৌঁছান। এরপর দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে ৫ সেপ্টেম্বর এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার পরপরই হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মানিকের নেতৃত্বে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কে এ বিষয়ে অবহিত করন এর লক্ষ্যে কমিটির তালিকা সরবরাহ করা হয়। পরে হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ হবিগঞ্জ জেলা তথ্য কর্মকর্তা পবন চৌধুরীর সাথে সাক্ষাত করে তার হাতেও কমিটির তালিকা তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সহ-সভাপতি রহমত আলী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান মানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ইমরান ও এম এ রাজা, কোষাধ্যক্ষ রুবেল মিয়া। হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠনের ব্যাপারে প্রকৌশলী সুশান্ত দাস গুপ্ত জানান, ‘হবিগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাব গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সাংবাদিকরা যাতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন সেটি সুনিশ্চিত করা। হবিগঞ্জ জেলায় কর্মরত সাংবাদিকের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা পালন করা। তিনি আরো জানান, অচিরেই হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের একটি স্থায়ী বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে অত্যাধুনিক কমিউনিটি সেন্টার এবং মানসম্পন্ন খাবারের রেস্টুরেন্ট থাকবে। সাংবাদিকরা স্বল্পমূল্যে এসব সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও সাংবাদিকদের কল্যাণে লক্ষ্যে একটি ফান্ড গড়ে তোলা হবে।’ এদিকে নব গঠিত হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এমপি, আব্দুল মজিদ খান এমপি, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী এবং সাবেক মহিলা এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ । হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকায় অন্যান্যদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ- সভাপতি রায়হান উদ্দিন সুমন (সমকাল প্রতিনিধি), তারেক হাবিব (বাংলা ৭১ প্রতিনিধি), রহমত আলী (অগ্নি শিখা), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ইমরান (ভোরের পাতা), এ এম রাজা (ভোরের ডাক ), কোষাধ্যক্ষ রুবেল মিয়া (ডেস্টিনি প্রতিনিধি) সহ আরও অনেকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি