১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোর মাদার সংগঠন  “স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিল” বিলুপ্ত ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মনির হোসেন (স্টাফ রিপোর্টার):

মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোর মাদার সংগঠন “স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিল” নামক সংগঠনটি বিগত বছর ধরে বিভিন্ন সংগঠন গুলোর মাধ্যমে মানুষের মাঝে বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু বেশ কিছু দিন যাবত সংগঠন গুলোর সদস্যদের মাঝে নেতৃত্ব নিয়ে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

 

নোয়াখালীর চাটখিলে ৩৫ টি সামাজিক সংগঠন নিয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিল বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিলের উদ্যোক্তা জি.এম সাকিল প্যানেল বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।

 

আজ সোমবার (০৬,সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি ফেসবুক লাইভে আসেন। নিজের ফেসবুক আইডিতে মাত্র ৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের লাইভ ভিডিওতে প্যানেলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

 

এই বিষয়ে জিএম সাকিলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, “শেষ কয়েকটা দিন থেকে দেখা যাচ্ছে যে, স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিলকে কেন্দ্র করে চাটখিল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সু-সম্পর্কের মধ্যে এক ধরণের ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। যা মোটেই কাম্য ছিলো না। প্যানেলটি গঠন করা হয়েছে উপজেলার মানুষকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবাই মিলে একসাথে মানবতার সেবা করা ।

 

এছাড়া এক সাথে বড় কোন কার্যক্রম গৃহীত হলে দায়িত্ব গুলো সুন্দরভাবে কাঁধে নিয়ে কাজ করা। কাজ করার সাথেই সাথে নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক আরো দৃঢ় মনোভাব সৃষ্টি করা। এতে সামাজিক কাজ গুলো করতে আমরা অনেকটা উৎসাহ এবং আনন্দের সহিত এগিয়ে যেতে পারবো। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে আমাদের নিজেদের মধ্যে সু- সম্পর্ক গঠন না করে আমরা আমাদের মধ্যে কাঁদা ছোড়া-ছুড়ি, সমালোচনা ও হিংসাত্মক মনোভাব তৈরী করে প্রতিযোগিতা শুরু করে দিয়েছি। যা মোটেই প্যানেলের জন্য ভালো কোন কিছু সংকেত দিচ্ছে না। বরং অশোভনীয় সংকেত দিচ্ছে। যা ভবিষ্যতে আমাদের মধ্যে আরও বিরাজমান সমস্যা সৃষ্টি করবে। তাই আমি এবং স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিল এর সহ – প্রতিষ্ঠাতা জাহিদ হাসান সজীব দু’জনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে এবং স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিলকে বিলুপ্ত ঘোষণা করি।”

 

বিলুপ্তের কথা শিকার করে স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিলের সহ – প্রতিষ্ঠাতা জাহিদ হাসান সজীব জানান, স্বেচ্ছাসেবী মানে ভাই-ভাই। সবাই মানবতার জন্য কাজ করে। আমরা চেয়েছিলাম সবাই মিলে একসাথে কাজ করবো। স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিলের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬ মাস পরেও কমিটি ঘোষণা হয়নি। কমিটি ঘোষণা করতে গেলে পদের লোভে অনেকে বিভিন্ন ধরনের কথা হয়। যা প্যানেলের জন্য মঙ্গল নয়। তাই আমি এবং প্রতিষ্ঠাতা জিএম সাকিল স্বেচ্ছাসেবী প্যানেল অব চাটখিল বিলুপ্ত ঘোষণা করি। যাতে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। আমরা সবাই মানবতার কাজ করতে এসেছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি