১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

স্কুলে ফেরা অনিশ্চিত সরিষাবাড়ী ৩৫টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্বপন মাহমুদ,সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি।

 

করোনার মহামারিতে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খুলছে স্কুল-কলেজ। এরই মধ্যে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষনা করলেও বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ৩৫টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পাঠদান হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত।

 

জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং ভারি বর্ষণে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব এলাকায় ডুবে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা। যমুনার পানি কিছুটা কমলেও বিদ্যালয় গুলো রয়েছে এখনো পানিতে নিমজ্জিত। সরকার চলতি মাসের ১২ তারিখে বিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার ঘোষনা দিলেও পানিতে নিমজ্জিত থাকা ৩৫ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়েছে পাঠদানের অনিশ্চয়তা। এদের মধ্যে রয়েছে ২৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬ টি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় ও দুইটি মাদরাসাও রয়েছে। এসব পানিবন্দি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরা অনিশ্চিত বলে মনে করেছেন অনেক অভিভাবকরা।

 

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল হালিম সাংবাদিকদের জানান, উপজেলায় এখন পর্যন্ত ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ১২ তারিখ থেকে সরকার বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার ঘোষনা দেন। বন্যায় যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো পানিতে নিমজ্জিত আছে সেই সব প্রতিষ্ঠান বাদে বাকিসব বিদ্যালয়গুলো পাঠদানের উপযোগী করার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি