১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

সোনামুখি ইউনিয়নে নৌকার কান্ডারী হতে চান নুরুল ইসলাম মাস্টার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ জহুরুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সৃজনশীল চিন্তা চেতনায় এগিয়ে থাকা নুরুল ইসলাম মাস্টার আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি কাজিপুর উপজেলার পাঁচগাছি গ্রামের মরহুম মকবুল হোসেন সরকারের সুযোগ্য সন্তান। পারিবারিক আদর্শ আর গুনধর বাবা-মায়ের নীতি নৈতিকতা আর সুন্দর সমাজ তৈরীর অনুপ্রেরণায় সৎ সাহস যুগিয়েছে তার রাজনীতির প্রতিটি পদক্ষেপ আর পথচলায়।

 

তিনি পেশায় কাজিপুরে সোনামুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হলেও শিক্ষকতার পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকেন। রাজনীতি করতে গিয়ে ২০০১ সালে বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে কয়েক বার নির্যাতিত হয়েছেন।

 

আওয়ামীলীগ ও পারিবারিক আদর্শ ধারন করে কট্টর ও পরিচ্ছন্ন হয়ে দলের প্রয়োজনে ছিলেন সক্রিয় এবং এখনো নীতি আর আদর্শে অবিচল রয়েছেন ।

 

নুরুল ইসলাম একজন আদর্শবান শিক্ষক, পিতার পুরো পরিবার পারিবারিক ভাবেই অদ‍্যবধি জড়িয়ে আছেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পতাকাবাহী গনমানুষের দলে।

 

তিনি কাজিপুর উপজেলার ১ নং সোনামুখি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন । এ পদে থেকে নিষ্ঠার সাথে জড়িয়ে আছেন সব সময় দলীয় কর্মকাণ্ডে। পাশাপাশি তিনি মানব কল‍্যাণের ব্রত নিয়ে পরিবারের শিক্ষায় ছাত্রজীবনের শুরু থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ‍্যমে জড়িয়ে পড়েন মানবসেবায় যা অবিরাম ধারায় আছে অব‍্যাহত ।

 

তিনি ১৯৮১ সালে কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজ ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালে শেরপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে সোনামুখি ইউনিয়ন আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়ে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সততার সাথে দায়িত্ব পালন করার জন্য ১৯৯৭ সালে সোনামুখি ইউনিয়ন আঃলীগের সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০১০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে সিনিয়র সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন শেষে ২০১৮ সাল থেকে ইউনিয়ন আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

 

 

 

মানুষের প্রয়োজনে জনকল‍্যাণ, এলাকার উন্নয়নের পরিবর্তনের বিপ্লব এজেন্ডা কে সামনে নিয়ে অদম‍্য গতিতে গনমানুষের অতি কাছাকাছি পৌছে গেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত‍্যাশী নুরুল ইসলাম মাস্টার ।

 

আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ গ্রহন করার বিষয় নিয়ে একান্তে খোলামেলা আলাপকালে দলীয় মনোনয়ন প্রত‍্যাশী সম্ভাব‍্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমি রাজনৈতিক ও পারিবারিক ভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠনের সব সময়ের জন‍্য একজন কর্মী। ছাত্র জীবন থেকে অদ‍্যবধি ওতপ্রোতভাবে এ দলের সাথে সব সময় সাংগঠনিকভাবে জড়িয়ে রয়েছি।

 

শৈশব থেকে আজ অবধি অনেক চড়াই উৎরাই গন্ডি পেরিয়ে আওয়ামী লীগের আদর্শ সর্বক্ষন লালন করে দলীয় নীতি আদর্শের প্রতি আস্থা রেখেই আমার ইউনিয়নের সব শ্রেনী পেশার সাধারণ মানুষের জন‍্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে।

 

তিনি আরও বলেন ইউনিয়নের নির্যাতিত সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দিতে চাই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আস্থা রেখে আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক গনতান্ত্রিক ক্ষুধা দারিদ্র্য মুক্ত ও শোষনহীন সমাজ সুখী সম্মৃদ্ধ উন্নত আধুনিক সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য, ঘোষণা পত্র ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দ্বিধাহীন চিত্তে নিজেকে আত্ব- নিয়োগ করতে চাই।

 

উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে আমি সোনামুখি ইউনিয়ন কে ক্ষুধামুক্ত, অপরাধ মুক্ত, মাদক মুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা,ইউনিয়নবাসি­র মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা মান উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সর্বোপরি মানুষের জীবন মান উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প করে অত্র ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমাদের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়কে উপহার দিব।

 

বাংলাদেশ আঃলীগের মনোনয়ন বোর্ড আমাকে মনোনীত করে দলীয় প্রতিক নৌকা দিলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন বাসির সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিবো এবং আঃলীগ সরকারের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে আপ্রান চেষ্টা করব

 

সোনামুখি ইউনিয়নে নৌকার কান্ডারী হতে চান নুরুল ইসলাম মাস্টার।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক