২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

সেনবাগে গৃহবধূ নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল,আটক ২।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ বেল্লাল হোসেন নাঈম,স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় এক গৃহবধূকে স্বামী-দেবরের নির্যাতনের ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে, পুলিশ অভিযুক্ত ২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে ।

 

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুই আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে শনিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ৭ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ রাজারামপুর মোহাম্মদীয়া মিয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।পরে রোববার সকাল থেকে গৃহবধূকে নির্যাতনের ভিডিও চিত্রটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

 

আটককৃতরা হলো স্বামী আমির হোসেন (৪০) ও তার বোন হাসিনা বেগম,তারা উপজেলার ৭ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ রাজারামপুর মোহাম্মদীয়া মিয়া বাড়ির মৃত মছিজ উদ্দিনের ছেলে-মেয়ে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে গৃহবধূ আমেনা বেগমকে (৩০) গত শনিবার ১১সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে তার স্বামী আমির হোসেন ও দেবর এরশাদ নির্দয়ভাবে চুলের মুঠি ধরে লাঠি পেটা করে এবং বেধড়ক চড় থাপ্পড়,লাথি,কিলঘুষি দিয়ে গুরুত্বর আহত করে।গৃহবধূকে নির্যাতনের ১মিনিট ১৭ সেকেন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে।জানা যায়, আমির ও এরশাদ মাদক ব্যবসা ও ডাকাতিতে জড়িত।ওদের ভয়ে কেউ এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়না।ঘটনার পর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ বিবি আমেনা তার বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাটে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, শনিবার বিকেলে ওই গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।পরে রোববার সকালের দিকে নির্যাতনের ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।তবে ঘটনায় আরেক হোতা দেবর পলাতক রয়েছে।তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

ওসি বাতেন আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ওই মামলায় সোমবার সকালে গ্রেফতারকৃত আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি