২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

সেই নির্যাতিত শিশুর পাশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

 

লালমনিরহাটে সেই নির্যাতিত শিশুর পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, আইজিপি, লালমনিরহাট পুলিশ সুপার ও লালমনিরহাট জেলার কমিশনের সংশ্লিষ্ট প্যানেল আইনজীবী শরিফুল ইসলাম রাজুর কাছে পাঠানো হয়।

 

নির্যাতিত শিশুটিকে নিয়ে অনলাইন, পত্রিকা ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। ভুক্তভোগীর আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সাংবিধানিক অধিকার এবং শিশুর প্রতি এমন নিষ্ঠুুর নির্যাতনের অভিযোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। এ অবস্থায় অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত মামলা করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে গৃহীত ব্যবস্থা আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অবহিত করতে পুলিশ সুপারকে বলা হয়েছে।

 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন লালমনিরহাট জেলার প্যানেল আইনজীবী শরিফুল ইসলাম রাজু জানান, রোববার দুপুরে মানবাধিকার কমিশনের ওই চিঠি পেয়ে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান।

 

প্রসঙ্গত, গত ২৯ আগস্ট সারা শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন নিয়ে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল শিশু হাসিনা। ঢাকায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতে গিয়ে শিশুটি নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি