১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

সুন্দর বনের বৈচিত্র্য কে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার ডাক দিলেন সুন্দর উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

আজ পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার গভীর সুন্দর বন এলাকায় গোসবাতে একটি জরুরি ভিত্তিতে বৈঠকের আয়োজন করেন পশ্চিম বাংলা সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড। এই সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব শওকত মোল্লা আহবানে সাড়া দিয়ে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাংলা বিধান সভার সদস্য ও পশ্চিম বাংলার সুন্দর বন উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। তিনি বলেন পৃথিবীর বিচিত্র তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য আজ বিশ্বের দরবারে খ্যাতি অর্জন করেছে। এর বৈচিত্র্য কে আরো অনেক বেশি উন্নয়ন করে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে হবে আমাদের। তার জন্য সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে। সেই সঙ্গে গভীর সুন্দর বনের ম্যানগ্রোভ অরণ্য কে আরো প্রসারিত করতে হবে এবং সুন্দর বন কে সবুজয়ন করতে হবে। এবং সুন্দর বনের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করতে স্হানীয় প্রশাসনের সাথে স্হানীয় মানুষ জনকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। চোরাচালান ও চোরাশিকারিদের হাত থেকে বন্যপ্রাণী কে রক্ষা করতে সকলকেই একযোগে কাজ করতে হবে। সেই সঙ্গে গভীর সুন্দর বনের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর বাধ ও খালবিল কে মজবুত ভাবে গড়ে তুলতে হবে। যাতে সহজেই ভাঙন না ধরতে পারে । সুন্দর বনের মানুষের জন্য আজ ওয়াটার এম্বুলেন্স এর উদ্ধোধন করেন সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান জনাব শওকত মোল্লা সাহেব তিনি বলেন গভীর সুন্দর বন বিভাগের নদী ও নালা পথে রাস্তা ঘাটে পরিবহন ব্যবস্থা তেমন উন্নয়ন না হওয়ায় জন্য বহু অসুস্থ মানুষ জন কে যুদ্ধ কালীন তৎপরতায় বিপদে শহরের কোন হসপিটালে নিয়ে যেতে সমস্যা হয়। তাই গভীর সুন্দর বনের মানুষের সুবিধার জন্য এই আপৎকালীন ওয়াটার এম্বুলেন্স এর ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন পশ্চিম বাংলা সরকারের পক্ষ থেকে। যার ফলে কোন মানুষের অসুস্থ বোধ করলে তাকে তাড়াতাড়ি শহরে নিয়ে যেতে পারবে। সেই সঙ্গে গভীর সুন্দর এলাকার মানুষের উন্নয়ন জন্য তার সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন। গত আমপান ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। সুন্দর বন কে আরো উন্নয়ন করে বেশি মানুষ কে পর্যটনের প্রান কেন্দ্র গড়ে তুলতে সব ধরনের কাজ করবে তার সরকার। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ যখন সুন্দর বনের পর্যটন মুখী হবে তখন এই এলাকার সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ভাবে উন্নতি লাভ করবে। কোডিট করোনা ভাইরাস জেরে গত দুই বছর পর্যটন শিল্পের ব্যাপক মার খেয়েছে সুন্দর বনের পর্যটন শিল্প। এবার থেকে তা চালু করা হবে সাধারণ মানুষের জন্য। খুলে দেওয়া হবে সুন্দর বনের পর্যটন কেন্দ্র। দেশ ও বিদেশের কাছে সুন্দর বনের মান কে আরো উন্নয়ন করে নিয়ে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন। আজকের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। পশ্চিম বাংলার সুন্দর বন উন্নয়ন দপ্তর এর মন্ত্রী শ্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা ও সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান জনাব শওকত মোল্লা ও পশ্চিম বাংলার বিধান সভার সদস্য বিধায়ক পরেশ রামদাস। পশ্চিম বাংলার বিধান সভার সদস্য ও কুলতলির বিধায়ক শ্রী গনেশ চন্দ্র মন্ডল এবং বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক ও পশ্চিম বাংলার বিধান সভার সদস্য ও তৃনমূল দলের অন্যতম নেতা শ্রী বিভাস সরদার এবং বারুইপুর জেলা পুলিশের অধীনে সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন সদস্যরা। ।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি