২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

এম এ রশীদ বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) বেলা ২টায় নগরীর বিভিন্ন পথচারীর মাঝে এই লিফলেট বিতরণ শুরু হয়।

 

লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিলেট বিভাগীয় সহ-সভাপতি আনসার উদ্দিন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক নজিবুর রহমান নজিব, সদস্য সচিব শাহ নেওয়াজ বক্ত তারেক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ, মহানগর যুবদলের সদস্য আনোয়ার হোসেন মানিক, জেলা সদস্য অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন, আখতার আহমদ, মহানগর সদস্য তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, জেলা সদস্য অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ, মহানগর সদস্য লুৎফুর রহমান, জেলা সদস্য লিটন আহমদ, কয়েছ আহমদ, মহানগর সদস্য এমদাদুল হক স্বপন, কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস জয়, জেলা সদস্য মাহফুজ চৌধুরী, রায়হান আহমদ, মহানগর সদস্য মির্জা সম্রাট, জেলা সদস্য আলী আহমদ আলম, মাসুক আহমদ, মহানগর সদস্য ওসমান গণি, জয়নুল ইসলাম জনি, যুবদল নেতা হাবিবুর রহমান রুমেল, মামুন আহমদ মিন্টু, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মঈনুল ইসলাম, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক জুয়েল আহমদ জুবেদ, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মঈনুল ইসলাম, ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক খালেদ আহমদ, যুবদল নেতা এনামুল হক সোহেল, সোহেল আহমদ, আব্দুল মোমিন, শহিদুজ্জামান সুমন, আব্দুল মুকিত জামি, সাহেদ আহমদ, সাইদ মাহমুদ ওয়াদুদ, বদরুল ইসলাম, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মঈনুল ইসলাম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আলী আহমদ, সাহেল আহমদ, সাজিদ আহমদ, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজির আহমদ, ২৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মিজান আহমদ, পাপ্পু আহমদ, ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক নাহিয়ান আহমদ রিপন, যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহ আহমদ ইমরান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহরিয়ার খান সাহেদ, যুবদল নেতা আফজাল খান পাপলু, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিনহাজ আহমদ, আহমদ সিপন, হিবজুর বিশ্বাস রাজু, খান মোহাম্মদ তাইফুর, নেপুর আহমদ, হুমায়ুন কবির তালুকদার, তানবির আহমদ, সুমন আহমদ, সাইদ আহমদ দিপক, রহমত আলী টিটু, আলী ইসলাম, রুবেল আহমদ, জাকির আহমদ, পায়েল আহমদ, শাকিল আহমদ প্রমুখ

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।