২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সিলেটে বাড়ানো হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টিকাদান কেন্দ্র।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

এম এ রশীদ বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ

 

সিলেট মহানগরীর প্রত্যেকটি স্কুল-কলেজের ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সকল শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে করোনার ভাইরাসের টিকা পাবেন। নগরীর ৪টি কেন্দ্রে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত এই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

 

প্রত্যেক পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুল-কলেজের সাথে যোগাযোগ করে নির্ধারিত কেন্দ্রে নির্ধারিত তারিখে করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

 

 

সিলেটে এইচ এস সি পরিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাসের টিকা দান কর্মসূচী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিসিক মেয়র বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা আগে টিকা নিয়েছেন তারা পূনরায় টিকা গ্রহন করবেন না। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। আর যারা টিকার প্রথম ডোজ এরই মধ্যে গ্রহণ করেছেন এবং ২য় ডোজ পরিক্ষা চলা কালীন সময়ে পড়েছে তারা ২৮ দিনের অদিক হলে পরিক্ষার পরে টিকা নিতে পারবেন।

 

বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকালে সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের এইচ এস সি পরিক্ষার্থী মাইসা সাবিহাকে টিকা দানের মধ্যদিয়ে শুরু এই কর্মসূচী।

 

টিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম, সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শামীমা চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়, শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) আব্দুল মান্নান খান, সিলেট জেলা সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল ও সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম।

কর্মসূচির প্রথম দিনে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ৪৫১ জন শিক্ষার্থী এবং সিলেট এম সি কলেজের ৪০৬ জন শিক্ষার্থীকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সিলেট সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ও আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রেও এইচ এস সি শিক্ষার্থীদের দিকাদান কর্মসূচী শুরু হবে। ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি।

 

পরবর্তীতে পর্যায়ক্রেম সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে উইমেন্স মডেল কলেজ, সেন্ট্রাল উইমেন কলেজ, ব্রিটানিকা উইমেন কলেজ, মেট্রো সিটি উইমেন কলেজ, মঈন উদ্দিন আর্দশ মহিলা কলেজ, সরকারি অগ্রগামী বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ ও সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের এইচ এস সি শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত তারিখে টিকা দেয়া হবে।

 

এম সি কলেজ কেন্দ্রে স্কলার্সহোম মেজরটিলা, সিলেট সরকারি কলেজ, শাহজালাল সিটি কলেজ, জালালাবাদ কলেজ, সার্ক কলেজ, জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজ ও ইউনিভার্সেল কলেজ ও এম সি কলেজের এইচ এস সি শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত তারিখে টিকা দেয়া হবে।

সিলেট সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে কমার্স কলেজ, স্কলার্সহোস শাহীঈদগাহ, ইডেন গার্ডেন কলেজ, গ্রীনহিল স্টেইট কলেজ, সিলেট সেন্ট্রাল কলেজ, স্টেইট কলেজ, সীমান্তিক কলেজ ও সিলেট সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের এইচ এস সি শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত তারিখে টিকা দেয়া হবে।

 

এছাড়াও আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে আব্দুল গফুর ইসলামী আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ, স্কলার্সহোম গার্লস কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, ওয়েস্ট পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট সেন্ট্রাল কলেজ, সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজ, ব্রিটিশ বাংলা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, শাহখুররম কলেজ, বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ , ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ ও আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের এইচ এস সি শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত তারিখে টিকা দেয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।