১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

সিলেটে পণ্যের দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সোনাই ডেক্স: সিলেটসহ দেশের কোথাও কোনো ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সংকট নেই। সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ দেশে রয়েছে। খোদ বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিই এমন তথ্য জানিয়েছেন দেশবাসীর উদ্দেশ্যে। কিন্তু একটি অসাধু চক্র করোনাভাইরাসের অজুহাতে সিলেটের দু-একটি জায়গায় বিভিন্ন পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। ব্যবসায়ীদের এই অসাধু চক্রটি পণ্য সংকটের অজুহাত দিয়ে ঢালাওভাবে মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে- এমন তথ্য আছে গোয়েন্দাদের কাছে।

এসব অসাধু ব্যবসায়ী চক্রকে রুখতে মাঠে নামছে সিলেট জেলা প্রশাসন। তাদের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, কেউ অহেতুক পণ্যের দাম বাড়ালে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। যারা পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াবেন, তাদেরকে বিপদেই পড়তে হবে- এমন আভাস মিলেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানিতে কোনো প্রভাব পড়েনি। দেশে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পণ্য বেশি রয়েছে। ফলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

জানা গেছে, চাল, ডাল, তেল, লবণ, পেঁয়াজসহ সব ধরনের পণ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলেও সিলেটে একটি চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে এসব পণ্যের দাম বাড়াতে চাইছে। জেলা প্রশাসনের কাছেও এ বিষয়ে তথ্য আছে। ফলে জেলা প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, ‘পণ্যের দাম বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের কাছেও তথ্য আছে। কয়েক দিন আগে একটি চক্র মাস্কের দাম বাড়িয়ে দেয়। আমরা তাদের বিরুদ্ধে টানা অভিযান চালিয়েছি। এবার অন্যান্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আমরা সচেষ্ট আছি।’

তিনি বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণে করণীয় ঠিক করতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০টায় আমরা বৈঠকে বসছি। বৈঠকে বাজার কর্মকর্তা, চেম্বারের প্রতিনিধিসহ সবাই থাকবেন। সবার পরামর্শ অনুসারে আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামবো।’

সিলেট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ব্যবসা-বাণিজ্য শাখা) হাছিবুর রহমান  বলেন, ‘আমরা নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ করছি, প্রয়োজন অনুসারে বাজারে অভিযানও চলে।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি