১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

সিলেটে কথিত সাংবাদিক সুমনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এ রশীদ সিলেট থেকেঃঃ

সিলেটে ৮ ভূয়া সাংবাদিক ও এক খদ্দে নারীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

 

সিলেটের বহুল প্রচারিত দৈনিক সিলেট এক্সপ্রেস পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি, রুরাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর সদস্য ও বালাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ( বিএমএসএফ ) এর সদস্য মোঃ রায়হান হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের সাইবার টাইব্যুনালে এ মামলা করেন। মামলায় অননুমোদিত কয়েকটি অনলাইন পোর্টালের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান (রহঃ) থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

মামলার আসামীরা হলেন- গোয়াইনঘাট থানাধীন গুচ্ছগ্রাম এলাকার মৃত মুহিবুর রহমানের পুত্র কথিত সাংবাদিক জাকির হোসেন সুমন, শাহপরান (রহঃ) থানাধীন উত্তর বালুচর বাসা নং- ১১০ আল ইসলাহ এলাকার আওলাদ আলীর পুত্র কথিত সাংবাদিক মোহন আহমদ, শাহপরান (রহ.) থানাধীন আনন্দ ৮/এ খরাদিপাড়া এলাকার রফিকুল হাসান বাচ্চুর স্ত্রী সৈয়দা কবিরুন নেছা ও ৩১৮ , রংমহল টাওয়ার (৩য় তলা) বন্দর বাজারের অনিবন্ধীত ও অননুমোদিত কথিত অনলাইন পোর্টাল “সীমান্তের আহ্বান” এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি-আবুল হাসনাত, সম্পাদক- আব্দুল্লাহ সালমান, নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক- আবু তালহা তোফায়েল, সহকারী সম্পাদক- ইকরামুল হক জাবের ও হাফিজ এহসান উল্লাহ এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- আব্দুল্লাহ মাহফুজ।

 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১নং আসামী জাকির হোসেন সুমন ও ২নং আসামী মোহন আহমদ তারা ভুঁইফোড় সাংবাদিক ও অপরাধী চক্রের সদস্য। তাদের অপরাপর আসামীগন অনিবন্ধীত ও অনুমোদিত কথিত অনলাইন পোর্টাল “সীমান্তের আহ্বান” এর সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সিলেটে অপসাংবাদিকতাসহ নানারুপ অপরাধমূলক, বেআইনী ও সমাজবিরোধী কাযকলাপ করিয়া বেড়ায়।এর ধারাবাহিকতায় ১নং আসামী কথিত সাংবাদিক জাকির হোসেন সুমন ও ২নং আসামী কথিত সাংবাদিক মোহনের প্ররোচনায় তাদের শেখানো মতো ৩নং আসামী খদ্দে নারী সৈয়দা কবিরুন নেছা মিথ্যা ভিত্তিকর ও মানহানিকর ভিডিও বক্তব্য প্রদান করলে ১নং আসামী কথিত সাংবাদিক জাকির হোসেন সুমন ও ২নং আসামী কথিত সাংবাদিক মোহন সাংবাদকর্মী রায়হান হোসেনের বিরুদ্ধে ৩নং আসামী খদ্দে নারীর সেই মিথ্যা ভিত্তিকর ও মানহানিকর ভিডিওসহ নানা রকমের বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করে ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা ছড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে সংবাদকর্মী রায়হান হোসেনের অনুমতি ছাড়া তাহার ছবি ও নাম পদবি ব্যবহার করে অনিবন্ধীত ও অনুমোদিত কথিত অনলাইন পোর্টাল “সীমান্তের আহ্বান” এর দায়িত্বশীল আসামীগন ১নং আসামী কথিত সাংবাদিক জাকির হোসেন সুমনের নিকট হইতে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে একটি বানোয়াট, বৃত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে। যাতে সংক্ষুব্ধ হন সংবাদকর্মী রায়হান হোসেন।

 

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহম্মদ তাজউদ্দিন বলেন, আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে মিথ্যা ভিত্তিহীন মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবুল কাশেম-এর আদালতে আমরা মামলা ফাইল করি। আদালত মামলার শুনানী শেষে তদন্তের জন্য শাহপরান (রহঃ) থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি