১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সিরাজগঞ্জে রেল বাঁচাও আন্দোলনের তিন দফা দাবীতে গণজমায়েত ও স্মারকলিপি প্রদান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইমরান হোসাইন, সিরাজগঞ্জ:

সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারি আন্তঃনগর ট্রেন ‘সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস’ চালু করা সহ তিন দফা দাবীতে গণজমায়েত ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশন রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গনে রেল বাঁচাও আন্দোলন-সিরাজগঞ্জ’র ব্যানারে গণ জমায়েত কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।

 

গণ জমায়েতের কর্মসূচিটিতে এ্যাড. মাহবুব এ খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, নাট্য ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী জগলু, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোমিন বাবু, প্রেস ক্লাবের সভাপতি হেলাল আহমেদ, বাসদ জেলা শাখার আহবায়ক কমরেড নব কুমার কর্মকার, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ইসমাইল হোসেন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কার ভুঁইয়া, সাবেক কাউন্সিলর শাহাদত হোসেন, রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ খাঁন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ গৌড়, এহিয়া খান প্রমুখ।

 

এ সময় বক্তারা বলেন, লকডাউনের সময় সকল ট্রেন বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্ত লকডাউন উঠে গেলে দেশের সকল ট্রেন চালু হলেও চালু করা হয়নি সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস। সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য একটাই মাত্র ট্রেন ছিলো সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস সেটাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে সিরাজগঞ্জের মানুষ ট্রেনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একটা সময় সিরাজগঞ্জে রেলের প্রাণ কেন্দ্র ছিল। সিরাজগঞ্জে চারটি স্টেশনের মাধ্যমে সারাদেশের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল। আর এখন সব কিছু আছে ট্রেন নেই৷ ট্রেনের নগরী হয়ে পড়েছে ট্রেন শুন্য। আমাদের সিরাজগঞ্জ বাসীকে রেলসেবা থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রের করা হচ্ছে। আমরা এই রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হতে চাই না আমাদের তিন দফা মেনে নিয়ে রেলের সকল সুযোগ সুবিধা দেয়া হোক।

 

বক্তারা আরও বলেন, আন্তঃনগর ট্রেন “সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস” চালু না হলে রেলপথ অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের করা হবে রেল না হয় জেল ।

 

‘সিরাজগঞ্জ শহরবাসিকে রেলসেবা থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও’ স্লোগানে আয়োজিত

সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেন চালু,

সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস আন্তঃ নগর ট্রেনের সকল সুযোগ- সুবিধা নিশ্চিত করা সহ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে সিরাজগঞ্জ শহর হয়ে বগুড়া পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপন করার তিন দফা দাবিতে গণজমায়েত ও স্মারকলিপি প্রদানে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ এই কর্মসূচিটি অংশগ্রহন করেন ।

 

গণ জমায়েত শেষে জেলা প্রশাসকের এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি পেশ করা হয়। ##

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি