১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

সিটি ও জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

এম এ রশীদ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রায় দেড় বছর, আর জাতীয় সংসদের বাকি প্রায় দুই বছর। নির্বাচন দূরে থাকলেও আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ। দুই নির্বাচনে যাতে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করা যায় সে লক্ষ্যে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছেন সংগঠনটির নেতারা। দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গঠন করা হয়েছে ৯টি সাংগঠনিক উপকমিটি ও চারটি সেল।

 

দলের নেতারা বলছেন, সাংগঠনিক এই তৎপরতার ফলে নেতা-কর্মীরা চাঙা হবেন, গতি আসবে সাংগঠনিক কাজে। গেল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের পরাজয়ের দহন এখনো পোড়াচ্ছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের।

নির্বাচনের পর সাংগঠনিক দুর্বলতা ও প্রার্থীর বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্তের কথা উঠে আসে। তবে গেলবার যে কারণেই দলীয় প্রার্থীর পরাজয় হোক না কেন, আগামীতে কোনোভাবেই এর পুনরাবৃত্তি দেখতে চান না দলের নেতা-কর্মীরা। তাই নির্বাচনের দেড় বছর আগেই দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন তারা।

 

দলীয় সূত্র জানায়, ৬ নভেম্বর সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দলকে আরও সুসংগঠিত করতে ৯টি সাংগঠনিক উপকমিটি ও চারটি সেল গঠন করা হয়। ২৭টি ওয়ার্ডকে ৯টি ভাগে ভাগ করে, অর্থাৎ প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য গঠন করা হয় একটি উপকমিটি। ওই উপকমিটির সদস্যরা তাদের অধীনস্থ ওয়ার্ডগুলোর সাংগঠনিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি সংগঠনকে গতিশীল করা, কোন্দল নিরসন করে ঐক্য স্থাপন ও নিষ্ক্রিয় থাকা নেতা-কর্মীদের চাঙা করতে কাজ করবেন তারা।

 

মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাগুলোতে উপকমিটিগুলো তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমের অবস্থা তুলে ধরবেন। এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে প্রচার, দফতর, তথ্য ও অর্থ বিষয়ক সেল গঠন করা হয়েছে। এসব সেলের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো জনসাধারণের কাছে তুলে ধরে জনমত তৈরি করবেন তারা, যাতে এর ইতিবাচক প্রভাব আগামী সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পড়ে। গঠিত উপকমিটি ও সেলের সমন্বয়কারী এবং নির্দেশক হিসেবে কাজ করবেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

 

জানা গেছে, প্রায় ১২ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে অনেকটা স্থবিরতা নেমে এসেছে। রাজপথের কর্মসূচি না থাকায় বিভিন্ন দিবসকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে সাংগঠনিক কর্মকান্ড। এ অবস্থায় সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল ও ঝিমিয়ে পড়া নেতা-কর্মীদের চাঙা করতে মহানগর আওয়ামী লীগ এ উদ্যোগ নেয়।

 

উপকমিটি ও সেল গঠনের পর থেকে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যেও চাঙা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের একাধিক নেতা।

 

উপকমিটি ও সেল গঠন প্রসঙ্গে জানতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে উপকমিটি ও সেলের কাজ কী হবে এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে কিছু বলা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সামনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। নির্বাচন দুটিতে আমরা দলীয় প্রার্থীর বিজয় দেখতে চাই। তাই আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন দল ক্ষমতায় থাকায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা স্থবিরতা চলে এসেছে। এ উদ্যোগের ফলে তারাও চাঙা হবেন। ওয়ার্ড পর্যায়েও দলীয় কার্যক্রম গতিশীল হবে। সব মিলিয়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে আগামী নির্বাচনে।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক