১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

সাপাহারে অবৈধ ভাবে সরকারী খাস জমি হতে গাছ কর্তণের অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নাজমুল হক সনি, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর সাপাহারে সরকারী অকৃষি খাস জমি হতে অবৈধভাবে গাছ কর্তণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী পরিবারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তিলনা ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর সচেতন গ্রামবাসীর পক্ষে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

 

অভিযুক্তরা হলেন, মৃত. মফিজ উদ্দীনের ছেলে মো. খাইরুল ইসলাম ও মো. নুর ইসলাম তাদের দুই ছেলে মো. সোহাগ ও মো. রানা এবং মো. মোসলেম উদ্দীনের ছেলে মো. মিজানুর রহমান এদের সবার বাড়ি উপজেলার বাবুপুর গ্রামে।

 

অভিযোগে বলা হয়েছে, উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রভাবশালী হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১৫/২০ দিন আগে অবৈধভাবে উপজেলার বাবুপুর মৌজাস্থ সরকারী খাস খতিয়ান ভুক্ত সম্পত্তিতে থাকা ৩ টি আম গাছ ও ১ টি কড়ই গাছ জোরপূর্বক কর্তণ করে। পরবর্তীতে কর্তণকৃত গাছগুলো অচেনা ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়। কর্তণকৃত গাছগুলোর অনুমানিক বাজার মূল্য ৪০ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। যাতে করে সরকারের ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে অভিযোগে দাবী করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান সচেতন গ্রামবাসীরা।

 

এবিষয়ে মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে খাইরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কোন সরকারী জমির গাছ কাটা হয়নি, কেটেছি আমাদের নামীও রেকর্ড ভুক্ত জমির গাছ।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্যাহ আল মামুনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, অভিযোগটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি