২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

সানন্দে টিকা গ্রহণ করছে শালিখার মানুষ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শালিখা মাগুরা প্রতিনিধি:

মাগুরার শালিখায় অনেকটা আগ্রহ সহকারেই টিকা গ্রহণ করছেন শালিখা উপজেলার সাত ইউনিয়নের যুবক-যুবতী পুরুষ-মহিলা সহ ১৮ ঊর্ধ্ব বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আজ শনিবার সকাল ৯ টা থেকে উপজেলার সাত ইউনিয়ন পরিষদে একযোগে এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে যা বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চলবে। প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে রয়েছে পুরুষ, মহিলা, প্রতিবন্ধী এবং বয়োবৃদ্ধদের জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক বুথের ব্যাবস্থা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ টিকা নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছে লাইনে। যাদেরকে টিকা দেওয়ার জন্য প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে ৩ টি করে মোট ২১ টি বুথ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ২১ টি বুথে ৪২ শ লোককে টিকাদান করা হবে। এছাড়াও প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে রয়েছে সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ১ জন, পরিবার পরিকল্পনা সহকারী ১ জন, সিএইচসিপি ৩ জন, যাদের মধ্যে কেউ টিকাদানের নিবন্ধন করছে কেউ বা আবার টিকা দিচ্ছেন। এছাড়াও পুলিশ, আনসার সদস্যরা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে টিকাদান নিশ্চিতকল্পে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। টিকা গ্রহণ করতে আসা কয়েকজন নারী পুরুষের সাথে কথা বললে তারা জানান, মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকার ব্যবস্থা করায় আমরা খুবই আনন্দিত। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রবিউল ইসলাম বলেন, কভিড-১৯ প্রতিরোধে সাইনোফার্মের এ টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত যাতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, উপজেলার সাত ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে টিকা গ্রহণের ব্যাপক সাড়া পড়েছে যা দেখে মনে হচ্ছে সরকারের ইউনিয়ন ভিত্তিক টিকাদানের এ কর্মসূচি আমরা শতভাগ বাস্তবায়িত করতে সক্ষম হব। পাশাপাশি তিনি সকল মানুষকে টিকা গ্রহণ করে করোনা প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বানও জানান।

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম

শালিখা, মাগুরা

৭/০৮/২১

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি