১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সাংবাদিক গাজী হানিফ’র নামে মামলার প্রতিবাদে সোনাগাজীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি :-

ফেনীর সোনাগাজীতে সাংবাদিক গাজী মোহাম্মদ হানিফ’র বিরুদ্ধে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সোলায়মান কর্তৃক ঢাকার আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা ও হয়রানি মুলক মামলা দায়েরের প্রতিবাদে ৭নভেম্বর রবিবার সকাল ১১টায় সোনাগাজীতে কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজনে পৌর শহরের জিরো পয়েন্টে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক জসিম উদ্দিন কাঞ্চনের সভাপতিত্বে দৈনিক আমাদের নতুন সময় প্রতিনিধি বাহার উল্যাহ বাহার ও ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ ইকবাল হোসাঈনের যৌথ সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন- সাংবাদিক মোঃ ওবায়দুল হক (দৈনিক তৃতীয় মাত্রা, সাপ্তাহিক জনপ্রিয়) মোঃ ছালাহ্ উদ্দিন (দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার, খবরপত্র) শহীদুল ইসলাম (দৈনিক সকালের সময়, আজকের জনবাণী) শরীয়ত উল্যাহ রিপাত (দৈনিক বাংলাদেশের খবর, ডেইলি ফেনী) সাংবাদিক ওমর ফারুক (দৈনিক আমাদের সময়) আফতাব হোসেন মমিন ভূঞা (দৈনিক আমাদের অর্থনীতি, সাপ্তাহিক প্রতিক্রিয়া) মোঃ নাছির উদ্দিন (দৈনিক আজকের পত্রিকা, সাপ্তাহিক নির্ভীক) জহিরুল হক খাঁন সজীব (দৈনিক খোলা কাগজ, বিএমএফ টিভি) আবদুর রহিম (দৈনিক হাজারিকা প্রতিদিন, দৈনিক অধিকার) কাউসার মাহমুদ (মানবজমিন) নুরুল আলম মহব্বত (সাপ্তাহিক জনপ্রিয়) সংবাদকর্মী মোশারফ হোসেন ও কমরেড আবু তাহের প্রমূখ।

 

এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক হিরণ, সাবেক পৌর কাউন্সিলর শেখ আবদুল হালিম মামুন, পুজা উদযাপন পরিষদের নেতা বিদ্যুৎ মহাজন, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা আবদুল কাদের ও ইলিয়াছ সিরাজ, ফারিহা সভাপতি আলমগির হোসেন টিপু, সমাজসেবক আবু ইউসুফ স্বপন, আরিফুল ইসলাম সোহাগ, মোহাম্মদ সেলিম, মোঃ ইব্রাহিম, ভূমি রক্ষা কমিটির নেতা মাঈন উদ্দিন নাছির, উপজেলা প্রতিবন্ধী সংস্থার সভাপতি মোঃ হানিফ সহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রায় ৩শতাধিক নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তাগণ বলেন- মেজর পরিচয় দিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সোলায়মান প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আইন অমান্য করছে। তিনি সরকারি রাস্তায় লোহার গেইট ও তারকাটার বেড়া দিয়ে জনগণের চলাচলপথ বন্ধ করার সংবাদ প্রচারের জের ধরে দৈনিক অগ্রসর পত্রিকার ফেনী জেলা প্রতিনিধি সৎ এবং সাহসী সাংবাদিক গাজী মোহাম্মদ হানিফ এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করেছে। অবিলম্বে উক্ত মামলা প্রত্যাহার করা নাহলে সোনাগাজী ফেনী সহ সারাদেশের সাংবাদিকগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলন করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।