২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সলঙ্গায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ শাহাদত হোসেন – উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার পূর্ব ফরিদপুর গ্রামে মেজবাহ উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৭ আগষ্ট) সন্ধ্যায় বগুড়ী শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত মেজবাহ উদ্দিন সলঙ্গা থানাধীন নলকা ইউনিয়নের পূর্ব ফরিদপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।নিহতের চাচাতো ভাই জয়নাল আবেদনীন স্বজনেরা জানায়, মেজবাহ উদ্দিনের সাথে একই গ্রামের মৃত আমিরের ছেলে লুৎফর রহমান হকের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার ভোরে লুৎফর রহমান হক ও তাঁর সহযোগীরা বিষ্ণপুর এলাকায় ফুলজোড় নদীর তীরে মেজবাহ উদ্দিনের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মেজবাহ উদ্দিনকে উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনানেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে মারা যান তিনি।

সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ বগুড়া শজিমেকে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি বলেন, ওই গ্রামের লুৎফর রহমান হকের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল মেজবাহ উদ্দিনের। সেই বিরোধের জের ধরে আজ ভোরে তার উপর হামলা চালিয়েছে লুৎফর রহমান ও তার ছেলেরা। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি