১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

সরিষাবাড়ীতে অভিযোগ তুলে বরখাস্ত, বিদ্যালয়ে তদন্তে আরবিট্রেশন বোর্ডের তদন্ত দল।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জামালপুর প্রতিনিধি :

 

জামালপুরের সরিষাবাড়ী বগারপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে বরখাস্ত এবং সরকারী নিয়ম বহির্ভুতভাবে নতুন করে (নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটারপদে অন্যজনকে নিয়োগ দেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে গত রোববার (১২সেপ্টেম্বর) তদন্ত শুরু করেছে আরবিট্রেশন বোর্ডের তদন্ত দল।

 

জানা যায়, উপজেলার বগারপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ২০১০ সালে ইব্রাহিম খলিলকে সরকারী বিধি মোতাবেক নিয়োগ দেয়া হয়। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ২০১৫ সালে অবসর নেন। পরে ২০১৬ সালে গুলজার হোসেন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহনের কিছুদিন পর থেকেই নিম্নমান সহকারী ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেন প্রধান শিক্ষক গুলজার হোসেন।

 

এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আপিল এন্ড আরবিট্রেশন বোর্ড কমিটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ২০১৯ সালে নিয়ম বহির্ভুতভাবে ইব্রাহিম খলিলকে চুড়ান্ত ভাবে বরখাস্ত করেন। পরে সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না কর ওই পদে শামীম হোসেন নামে অপর একজনকে নিয়োগ দেয়া হয়।

 

বিষয়টি জানাজানি হলে প্রধান শিক্ষক আপিল এন্ড অরবিট্রেশন বোর্ডকে চুড়ান্ত বরখাস্তের বিষয়টি অবহিত করেন। প্রধান শিক্ষকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বরে এ নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে প্রধান শিক্ষক যথাযথ ব্যাখা প্রদানে ব্যর্থ হন।

 

পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১২ জুন আপিল এন্ড অরবিট্রেশন কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সরেজমিনে বিষয়টি তদন্তের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ময়মনসিংহ এর

উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু নুর মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি গত রোববার ১২সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেন।

 

এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এনামুল হক ফারুক বলেন, ইব্রাহিম খলিলকে চুড়ান্ত বহিষ্কার ও শামীম হোসেনকে নিয়োগ দেয়া দুটোই নিয়ম বহির্ভুতভাবে হয়েছে।

 

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক গুলজার হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

তদন্ত কমিটির প্রধান উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু নুর মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, তদন্তের বিষয়ে এখন কিছু বলা যাবে না। এটা গোপনীয় বিষয়।

 

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, আপিল এন্ড আরবিট্রেশন বোর্ডের ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত দল বগারপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযোগের তদন্ত করছেন।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি