১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

সরকারি নিষেধ অমান্য করে রাতের আধারে চলছে পাথর চুরি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

সাধন রায় লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৮ নং গুকুন্ডা ইউনিয়ন তিস্তা নদীর  স্তুপ করা সরকারি পাথর গোলোক, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আধারে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে ওই ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ দুলু ।জমাকৃত পাথর গোলোক গুলো রাতের আঁধারে চুরি করে নিচ্ছে পাথর খেকো চক্র থেকে । পাথর গোলোক  মহালের ইজারাদার একেক সময় একেক জন থাকলেও পাথর চুরির উৎসব কখনও বন্ধ হয় না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পাথরের গোলোক পাচারকারী  ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দুলু মিয়া,  প্রভাবশালীরা ছাড়াও উপর মহলের হাত রয়েছে বলে জানান  এলাকায় বাসী।

জমাকৃত পাথরগুলো ট্র্যাকে করে নিয়ে যায় ওই ওয়ার্ড়ের ইউপি সদস্য মোঃ দুলু মিয়া। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়  জমাকৃত পাথর গোলোক গুলো ট্র্যাকে ছবি নিতে গেলে সাংবাদিকের ক্যমেরা ও মোবাইল ফোন কেড়েও নেন ইউপি সদস্য দুলু মিয়া।

 

সাংবাদিকদের গালি গালাস ও প্রানের মারা হুমকি দেন তিনি, ততকালীন সড়ক জনপদ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রশাসন উপস্থিত হলে তিনি পালিয়ে যান

 

সড়ক জনপদের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী  জনাব মোঃ মাহবুবুল আলম খান বলেন

 

এই ইউপি সদস্য  বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি