১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপির বাড়িতে বিদ্রোহী প্রার্থী সাজেদা বেগম!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপির ছোট ভাই কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাহবুবুজ্জামান আহমেদের স্ত্রী সাজেদা বেগম তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।

 

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে গত সোমবার (১ নভেম্বর) মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

 

সাজেদা বেগম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপির ছোট ভাই কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাহবুবুজ্জামান আহমেদের স্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

 

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুবা রহমান চেয়ারম্যান পদে সাজেদা বেগমের মনোনয়নপত্র দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

জানা গেছে, তৃতীয় ধাপে লালমনিরহাট জেলার ২টি (লালমনিরহাট সদর ও কালীগঞ্জ) উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিলো মঙ্গলবার (২ নভেম্বর)। এ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রতিটি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম।

 

মনোনয়ন না পেয়ে গত সোমবার (১ নভেম্বর) মনোনয়নপত্র জমা দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপির ছোট ভাই কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাহবুবুজ্জামান আহমেদের স্ত্রী সাজেদা বেগম। খোদ সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর বাড়িতেই বিদ্রোহী প্রার্থী এ নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ও তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী সাজেদা বেগম সাংবাদিকদের জানান, তিনি মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু তাকে মনোনয়ন না দিয়ে বিএনপি করতো এমন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি ও লালমনিরহাট-০১ (পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে কেউ যদি প্রার্থী হয়ে থাকেন, তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নির্দেশ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।