২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

সততার নজির স্থাপন করল কলকাতা পুলিশ।। হারিয়ে যাওয়া টাকা ফেরত দিয়ে।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

 

কলকাতার রাত দুটো প্রায় সুনসান রাস্তা ঘাট। মাঝে মাঝে কিছু প্রাইভেট গাড়ি ও পুলিশের টহলদারি গাড়ি চারিদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। হঠাৎ কলকাতার তারাচাঁদ দত্ত স্ট্রিটের কাছে একটি বেসরকারি এ টি এম ব্যাঙ্ক এর সামনে কিছু পড়ে থাকতে দেখেন টহলদারি করা কলকাতার জোড়াসাঁকো থানার সাব ইন্সপেক্টর শ্রী শক্তিমান রায় চৌধুরী। তিনি এগিয়ে গিয়ে দেখেন ঔ ব্যাঙ্ক এর সামনে পড়ে আছে মোট পাঁচটি এ টি এম কাড ও নগত কুড়ি হাজার টাকা। একটু খোঁজ করতে বেরিয়ে আসে এই এ টি এম কাড ও টাকার মালিক জনাব জালালউদ্দিন সাহেবের। সাব ইন্সপেক্টর শ্রী শক্তিমান রায় চৌধুরী তিনি টাকা ও এ টি এম কাড নিয়ে সোজা চলে যান জোড়াসাঁকো থানার ওসি জনাব আমানুল্লাহর কাছে। তিনি ফোন করে টাকার মালিক ও প্রমাণ পত্র নিয়ে আসতে বলেন জোড়াসাঁকো থানাতে। ঘন্টা খানেক পর এ টি এম ও টাকার মালিক জনাব জালালউদ্দিন সাহেব হাজির হয়ে প্রমাণ দেখিয়ে টাকা ফিরত নিয়ে যান। খুশি হয় দুই পক্ষ এমন নজির স্থাপন করেন কলকাতা পুলিশ। এর আগে কলকাতা পুলিশ সাধারণ মানুষের সাহায্য হাত বাড়িয়েছে তার বহু প্রমাণ ও নজির আছে। দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত আছেন কলকাতা পুলিশ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি