১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

শ্যামনগর নির্মানাধীন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় কালিগঞ্জ-শ্যামনগর প্রধান সড়কের পাশে বাদঘাটা এলাকায় নির্মানাধীন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব মল্লিক সাঈদ মাহবুব।

 

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলা সদরে নির্মানাধীন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ভবন পরিদর্শন করেন। তিনি ভবনের সকল কক্ষ ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং এ সময়ে ত্রুটি বিচ্যুতি গুলি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে ধরিয়ে দেন এবং সে গুলি দ্রুত সংশোধনের পরামর্শ প্রদান করেন।

 

জানা যায় নির্মানাধীন ভবনটির সকল কার্যক্রম এ বছরের মধ্যে সমাপ্ত হবে। বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত বিভাগ সাতক্ষীরা।

 

পরিদর্শনকালিন অন্যান্য দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ ন ম আবুজর গিফারী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোঃ কামাল উদ্দিন ভূইয়া, সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল আজম, উপজেলঅ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জামান ট্রেডার্স (জেভি) বাবর এসোসিয়েট এর প্রকৌশলী, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক জাহিদ সুমন, শেখ আফজালুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর কর্মকর্তাবৃন্দ প্রমুখ।

 

ছবি- শ্যামনগরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব মল্লিক সাঈদ মাহবুব।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি