১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

শ্যামনগরে সুরক্ষিত নীল কার্বন প্রকল্পের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ

০৯ ই জুলাই (মঙ্গলবার) সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকে উন্নয়ন সংস্থা লিডার্সের আয়োজনে ও মেরিডিয়ান ইনস্টিটিউটের সহায়তায় ও ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টসের কারীগরি সহযোগিতায় সুরক্ষিত নীল কার্বন প্রকল্পের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদুজ্জামান সাঈদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আইয়ুব ডলি, উপজেলা সামাজসেবা অফিসার আরিফুজ্জামান, উপজেলা কৃষি অফিসার নাজমুল হুদা, উপজেলা মেরিন ফিসারিজ অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম, বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আঃ রউফ, মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হরিদাস হালদার, শিক রণজিৎ কুমার বর্মন, শিক মানবেন্দ্র দেবনাথ, গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলম। সভায় প্রকল্প বিষয়ে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্ণনা করেন প্রকল্পের টিম লিডার সুপর্ণা মিত্র। আলোচনায় বক্তারা বলেন সুরক্ষিত নীল কার্বন প্রকল্প বিষয়টি নতুন ও এর কাজও অনেক চ্যালেঞ্জিং এবং গবেষণা নির্ভর । জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে সমস্যা হচ্ছে এই প্রকল্পটি তা প্রশমনে কাজ করবে।
জানা যায় এ প্রকল্পের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের খাসজমি ও নদীর চরে বনায়নের মাধ্যমে কার্বন উদগীরণ কমানো এবং সুন্দরবন নির্ভরশীল জনগণের বিকল্প কর্মসংস্থানের সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ল্েয স্থানীয় ভাবে পরীা মূলকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। শ্যামনগর উপজেলায় দুইটি ইউনিয়নের ২টি গ্রাম যথাক্রমে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সিংহড়তলী ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর এলাকায় গবেষণা মূলক কাজ করবে। সুন্দরবনের ইকোসিস্টেম সংরণে এর উপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবীদের সচেতন করে তোলা, তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ও তাদের অধিকার আদায়ে আরো সচেষ্ট করে তোলা এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য ।

ছবি- শ্যামনগরে সুরক্ষিত নীল কার্বন প্রকল্পের প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন অতিথিবৃন্দ।
রনজিৎ বর্মন
তাং-৯.৭.২৪

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক