১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

শ্যামনগরে নৌকা প্রতীক বরাদ্ধ পাওয়ায় ইউপি নির্বাচনে উৎসবের আমেজ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর

উপজেলায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র থেকে নৌকা প্রতিক বরাদ্ধ

পাওয়ার পর নির্বাচনে উৎসবের আমেজ চলছে।

 

চতুর্থ দফায় অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী শ্যামনগর

উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে ২৩ ডিসেম্বর’২১। রিটানিং অফিসারের নিকট

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৫ নভেম্বর।

 

নির্বাচন কমিশন থেকে শ্যামনগর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের নির্বাচনী তফসিল

ঘোষণা করা হয়। ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে বাঁকী ৩টি ইউনিয়ন পরবর্তীতে ঘোষণা হতে

পারে বলে অনেকে মনে করছেন। এ অবস্থায় কেন্দ্র থেকে ৯ ইউপির নৌকা প্রতিক

প্রাপ্তরা হলেন কাশিমাড়ী ইউপিতে মোঃ শমসের আলী ঢালী, নুরনগর- মোঃ বখতিয়ার

আহম্মেদ, কৈখালী- মোঃ রেজাউল করিম, রমজাননগর- মোঃ শাহনুর আলম,

মুন্সিগঞ্জ- অসীম কুমার মৃধা, বুড়িগোয়ালিনী- ভবতোষ কুমার মন্ডল, আটুলিয়া-

গাজী কামরুল ইসলাম, পদ্মপুকুর- এস এম আতাউর রহমান ও গাবুরা- জি এম শফিউল

আযম লেনিন। নৌকা প্রতিক পাওয়ার পর ইউনিয়ন গুলিতে ভোটের উৎসবের আমেজ

বিরাজ করছে।

 

এ দিকে উপজেলায় প্রত্যহ মনোনয়ন ফরম জমাদানের জন্য বিভিন্ন পদের

প্রার্থীদের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। উপজেলায় রির্টানিং অফিসারের দায়িত্ব

পালন করছেন নুরনগর, মুন্সিগঞ্জ ও রমজাননগর ইউনিয়নের উপজেলা নির্বাচন

অফিসার, পদ্মপুকুর ও আটুলিয়া ইউপির দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা কৃষি

অফিসার, গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউপির দায়িত্ব পালন করছেন সিনিয়র উপজেলা

মৎস্য অফিসার ও কাশিমাড়ী ও কৈখালী ইউপির দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা

পরিবার পরিকল্পনা অফিসার।

 

জানা যায় শ্যামনগর উপজেলায় ১২ ইউপিতে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯১০১০ জন। এর

মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪৮৩৭২ জন ও নারী ভোটার ১৪২৭১৯ জন।

 

ছবি- শ্যামনগরে নৌকা প্রতিক প্রাপ্তরা।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক