২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

শ্যামনগরে গলায় ছুরি দিয়ে মোবাইল ফোন ছিনতাই।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ

মোটরসাইকেলযোগে আসা তিন ছিনতাইকারী মোবাইলফোন ছিনতাইকালে বাঁধা প্রদান করলে ছিনতাইকারী ধনঞ্জয় মিস্ত্রীর(৪৫) গলায় ছুরি চালিয়ে মারাতœক আহত করে মোবাইল ফোন ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

 

ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় দক্ষিণ আটুলিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার পর। ধনঞ্জয় মিস্ত্রী হল দক্ষিণ আটুলিয়া গ্রামের দূর্গাপদ মিস্ত্রীর বড় ছেলে। তিনি বরষা নামে একটি এনজিওতে কাজ করেন।

 

ধনঞ্জয় মিস্ত্রীর ভাই সঞ্জয় মিস্ত্রী ও বরষা এনজিওর কর্মী হরিপদ গায়েন বলেন রাতে খাবার শেষে বাড়ীর সামনে রাস্তায় হাটছিল এবং মোবাইলফোনে কথা বলছিল এ সময় মোটরসাইকেলযোগে তিন ছিনতাইকারী তার ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ধনঞ্জয় মিস্ত্রী বাঁধা প্রদান করলে তাদের হাতে থাকা ছুরি তার গলায় যেয়ে বেঁধে যায়। এ সময় তার আতœচিৎকারে বাড়ী থেকে লোকজন বাইরে এসে তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করেন। বর্তমানে আহত ব্যক্তি শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

এ ব্যাপারে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ জানান এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোন অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ছবি- আহত ধনঞ্জয় মিস্ত্রী

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি