২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

শ্যামনগরে গণ টিকা উৎসবে এক দিনে টিকা নিলেন ৭১৪৮ জন। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় ৭ আগষ্ট ১২ টি ইউনিয়নের ১২টি কেন্দ্রে গণ টিকা উৎসবে টিকা গ্রহণ করলেন সাত হাজার এক শত আটচল্লিশ জন।

 

১২ টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে পদ্মপুকুর ও গাবুরা ইউনিয়ন ছাড়া অন্যান্য সকল ইউনিয়ন পরিষদে এই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। পদ্মপুকুর ইউপিতে কেন্দ্র ছিল গড়কুমারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গাবুরা ইউনিয়নে কেন্দ্র ছিল চাঁদনীমুখা মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায় এক দিনের টিকা উৎসবে টিকা গ্রহণকারীর মধ্যে পুরুষ ছিল ৪০৩৯ জন ও মহিলা ৩১০৯ জন। প্রতিটি কেন্দ্রে টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৬ শত জন। জানা যায় একটি কেন্দ্রে কয়েক জন কম ছিল।

 

সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলে। প্রত্যোকটি কেন্দ্রে ৩টি বুথ খোলা হয়। প্রতিটি বুথে ২ জন ভ্যাকসিনেটর ও ৩ জন স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন। সে হিসাবে প্রতিটি কেন্দ্রে ৬ জন ভ্যাকসিনেটর ও ৯ জন স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন। এ ছাড়া গ্রাম পুলিশ সহ অন্যান্যরা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন।

 

টিকা উৎসবের বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজর গিফারী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ’মি) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অজয় কুমার সাহা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক সাইদ উজ জামান সাইদ, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ, শ্যামনগর থানার মেডিকেল অফিসারবৃন্দ, বিভিন্ন ইউপির ট্যাগ অফিসারবৃন্দ প্রমুখ।

 

ছবি-১। শ্যামনগর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পরিদর্শনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজর গিফারী।

 

২। শ্যামনগর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণে গ্রহণ কারীদের লাইন।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি