১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

শ্যামনগরে আদিবাসীদের ভূমি অধিকার শীর্ষক সভা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃঃ

বুধবার সকালে( ২৫ আগস্ট)

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থা (সামস্) ও

কাপেং ফাউন্ডেশন এর যৌথ আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলার আদিবাসীদের ভূমি অধিকারের

সার্বিক পরিস্থিতি শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মুন্সিগঞ্জ টাইগার পয়েন্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায়

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস, এম আতাউল হক দোলন।

 

সামসের সভাপতি গোপাল চন্দ্র মুন্ডার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির

বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান ডালিম

কুমার ঘরামী, শ্যামনগর আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক দিপংকর

কুমার বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থার

পরিচালক কৃষ্ণপদ মুন্ডা।

 

আদিবাসীদের ভূমি সমস্যা নিয়ে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন

শ্রীফলকাটী গ্রামের সঞ্জলী রানী মুন্ডা, বাদঘাটার সত্যচরণ মুন্ডা,

দাতিনাখালীর ভক্তরাম মুন্ডা, তারানীপুরের উত্তম মুন্ডা , বুড়িগোয়ালিনীর

জয় মুন্ডা, উত্তরকদমতলার অসিত মুন্ডা, ধূমঘাট গ্রামের ফনিন্দ্র নাথ

মুন্ডা, কাশিপুরের বাহামনি মুন্ডা, ভেটখালীর তারাপদ মুন্ডা প্রমুখ।

 

আলোচনা সভায় আদিবাসীদের খাসজমি প্রাপ্যতা এবং তাদের ধর্মীয় প্রথা

অনুসারে মৃত ব্যক্তিকে কবরস্থ করা ও জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের

উপস্থিতিতে গোলটেবিল বৈঠক করা সহ অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সামস কর্মকর্তা সঞ্জয় মাঝি।

 

ছবি- শ্যামনগরে আদিবাসীদের ভূমি অধিকার শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির

বক্তব্য রাখছেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি