১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

শ্যামনগরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা পেল ই-লার্নিং সুবিধা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা পেল ই-লার্নিং সুবিধা। বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ভলান্টিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশ (ভাব-বাংলাদেশ) এর উদ্যোগে শ্যামনগরের ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে ই-লার্নিং প্রোগ্রামে ট্যাব বিতরণ করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ই-লার্নিং প্রোগ্রামের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাংসদ এস. এম. জগলুল হায়দার।

 

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সভাপতি হিসেবে ভাব-বাংলাদেশের ই-লার্নিং প্রোগ্রামের আওতায় কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হেঞ্চি বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও রমজাননগর ইউনিয়ন তোফাজ্জেল বিদ্যাপীঠের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে লার্নিং কনটেন্ট ও মনিটরিং সিস্টেমসহ ৩২টি ট্যাব বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ. ন. ম. আবুজর গিফারীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ভাব বাংলাদেশের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এম. এ. আলিম খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজাহারুল ইসলাম, রমজাননগর ইউনিয়ন তোফাজ্জেল বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক শেখ মতিউর রহমান ও হেঞ্চি বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবিএম লুৎফল আলম, শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল ও শ্যামনগর উপজেলা রিপোটার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল আলিম প্রমুখ।

 

ভাব বাংলাদেশ প্রদত্ত ট্যাব দিয়ে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র পড়াশোনার কাজে ব্যবহার করতে পারবে। এই ট্যাব দিয়ে ফেসবুক, ম্যাসেনজার ও ইউটিউব ব্যবহার করা যাবে না। সংস্থাটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ৫টি জেলার ৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং প্রোগ্রাম শুরু করেছে।

ছবি- শ্যামনগরে ই-লার্নিং প্রোগ্রামের উদ্বোধন করছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাংসদ এস. এম. জগলুল হায়দার।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি