১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

শেরপুরে রক্তসৈনিক বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ আলমগীর ইসলাম শেরপুর প্রতিনিধি।

 

একের রক্ত অন্যের জীবন রক্তই হোক রক্তসৈনিকের বন্ধন এ স্লোগান কে ধারন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রক্তসৈনিক বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ২৪ শে সেপ্টেম্বর জেলা শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত র‍্যালি, কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়। অনুষ্ঠানে উদ্ভোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (এসপি) হাসান নাহিদ চৌধুরী। এ সময় তিনি সংগঠন এর কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। সংগঠনে সফলতা কামনা ও পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

 

রক্তসৈনিক বাংলাদেশের সভাপতি, সমাজ-কর্মী রাজিয়া সামাদ ডালিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) এ টি এম জিয়াউল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুন, জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন রহমান অমি, শেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শিব শংকর কারুয়া, জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান নাসরিন রহমান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন, প্রথম আলোর শেরপুর প্রতিনিধি দেবাশীষ সাহা রায়, শ্রীবরদী রক্তসৈনিকের উপদেষ্টা শাকের মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন রক্তসৈনিক বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আল আমিন রাজু।

 

অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা একদশক পূর্তি উপলক্ষ্যে কেক কাটেন। সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর আগে

সংগঠনের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে র‍্যালি বের হয়ে শহরের গ্রুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আগের স্থানে এসে শেষ হয়। এতে রক্তসৈনিক এর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

 

রক্তসৈনিক বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ১০ টি উদ্যোগ নেওয়া হয়, এর মধ্যে রয়েছে ১০ জন থ্যালাসেমিয়া রোগীর সারাবছর রক্ত সরবরাহ, ১০ ব্যাগ রক্তদান, ১০ টি বৃক্ষ রোপণ, ১০ জন অসহায় মানুষকে খাওয়ানো, ১০ জনকে বস্ত্র উপহার প্রদান, ১০ বক্স মাক্স বিতরণ, ১০ টি মশারী বিতরণ, ১০ টি ঝুড়ি প্রদান, ১০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, ১০ সারি মাল্টার গাছ লাগানোর।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি