১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

শেখ হাসিনা মানবতার নেতা -কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবকল্যাণি কাজের মধ্য দিয়ে মানবতার নেতা হয়ে উঠেছেন। তিনি আজ মানবতার নেতা। মানবজাতির নেতা। সারাবিশ্বের একজন সম্মানিত নেতা।

 

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে একসময় দুর্ভিক্ষ হতো। বাংলাদেশের মানুষ অনেক কষ্টে জীবন যাপন করতো। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা মঙ্গা দূর করতে পেরেছি। বাংলাদেশ এখন অনেক উন্নত রাষ্ট্র। সরকার গরীব দুঃখি মানুষের সব সময় সহযোগিতা করছে। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে বিনামূল্যে চাল-অর্থ সহযোগিতা করছে। স্বল্প আয়ি মানুষের জন্য ওএমএস এর মাধ্যমে ১০টাকা কেজি চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

 

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মধুপুর পৌরসভা চত্তরে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মধুপুর পৌরসভার দরিদ্র মানুষগুলোর মাঝে প্রধানমন্ত্রীর চালসহায়তা বিতরণের পূর্বে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়নশীল বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় জামায়াত বিএনপি। তারা ক্ষমতায় থাকতে জঙ্গি সৃষ্টি করেছে। লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছে। আমরা সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে জঙ্গি নির্মূল করেছি। সন্ত্রাস নৈরাজ্য দূর করেছি।

 

ড. রাজ্জাক আরো বলেন, বিএনপি জামায়ত আবার দেশে আন্দোলনের ভয় দেখায়। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে চায়। তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা হবে। কোন অবস্থাতেই দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে দেওয়া হবেনা।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায়। এই সরকারকে উৎক্ষাতের ষড়যন্ত্র কোনভাবে সফল হতে দেওয়া হবে না। যদি তারা চোরাগলি দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায় তা রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করা হবে। বাংলাদেশে কোনদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। ২০২৩ সালে সংবিধান অনুসারে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খানের সভাপতিত্বে পৌরসভা চত্বরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খন্দকার শফিউদ্দিন মনি, সহসভাপতি এডভোকেট ইয়াকুব আলী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন, মধুপুর সার্কেলের এএসপি শাহীনা আক্তার,ওসি তারিক কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সহ অন্যান্য নৃতৃবৃন্দ। এসময় পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গন উপস্হিত ছিলেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি