১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখলো এমসি কলেজ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এ রশীদ সিলেট থেকে।

২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) মূল্যায়নের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সিলেট অঞ্চলের অফিস। যেখানে সিলেটের এমসি কলেজকে বিভাগের ১ম স্থান দেওয়া হয়েছে।

তালিকার ২য় স্থানে আছে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ, এবং হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজকে রাখা হয়েছে ৩য় স্থানে।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অফিসের পরিচালক প্রফেসর মো.আব্দুল মান্নান খান সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

১২৯ বছরের পুরোনো বিদ্যাপীঠটা বরাবরের মতোই বিভাগসেরা হওয়ায় উচ্ছসিত কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ এমসি পরিবারের সবাই।

এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো.সালেহ আহমদ বলেন, আমি নিজে এই কলেজে পড়াশোনা করেছি। যেকারণে সবসময়ই কলেজটার জন্য বাড়তি আবেগ কাজ করে৷ আজকের এই অর্জন আমার সহকর্মীসহ এমসি পরিবারের সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠার ফসল৷ সকলের মহৎ উদ্দেশ্য, আর আন্তরিক দায়িত্বশীলতার কারণেই বিভাগসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। আশা করি সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও ধরে রাখার প্রানান্তর চেষ্টা অব্যহৃত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি