২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

শিবরাম স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষার্থীদের ৮মাসের বেতন মওকুফ করলো।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রায় ৬শত শিক্ষার্থীর ৮মাসের মাসিক বেতন মওকুফ করলো লালমনিরহাট জেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।

 

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।

 

তিনি সাংবাদিকদের জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বেতন মওকুফ করা হয়েছে।

 

জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মিশন মোড় (সার্কিট হাউস) সংলগ্ন শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬শত জন। যাদের প্রত্যেকের মাসিক বেতন সর্বনিম্ন ৯শত টাকা থেকে শ্রেণি ভেদে ২হাজার ৫শত টাকা করে নেওয়া হয়।

 

এদিকে ছেলে-মেয়েদের ৮মাসের বেতন মওকুফ করা হয়েছে শুনে আবেগে আপ্লুত হয়ে অভিভাবকরা জানান, অত্যন্ত সময়োপযোগী, যুক্তিসঙ্গত এবং মানবিক উদ্যোগ নেয়ায় বিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তারা।

 

অভিভাবকরা আরও জানান, দেশের এমন করোনা দুর্যোগে সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেখানে সন্তানদের ৮মাসের বেতন মওকুফে আমরা অনেক স্বস্তি পেয়েছি।

 

প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা মোড়ল হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের জানান, এমন সংকটকালীন সময়ে বিদ্যালয় আর্থিকভাবে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ, অভিভাবকরাও তেমনি বহুমুখী দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত। সকল দিক বিবেচনা করে এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

লালমনিরহাট সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম এ বিষয়টিকে সাদুবাদ জানান এবং শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের এমন উদ্যোগকে জেলার অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য উদাহরণ হতে পারে বলে জানান। অন্য বিদ্যালয়গুলোকে এমন মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি