১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

শিবচরে পরিত্যক্ত ঘর থেকে মুখমন্ডল ঝলসানো হাত পা বাঁধা অজ্ঞাত ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাহমুদুল হাসান রনি,মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি ।

 

 

পদ্মা সেতুর এপ্রোচ সড়ক সংলগ্ন শিবচরে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে দাহ্য জাতীয় পদার্থ দিয়ে মুখমন্ডল ঝলসানো হাত পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাতনামা (৪৩) ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই ব্যাক্তিকে হত্যা শেষে প্রায় ৭-৮ দিন আগে লাশটি ওই পরিত্যক্ত ঘরে ফেলে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ ধারনা করছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পদ্মা সেতুর এপ্রোচ সড়ক সংলগ্ন উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের কালাই হাজী কান্দি গ্রামে স্থানীয় মোশারফ দফাদার একটি টিনসেডের ঘর তুলে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চাকুরীর সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করেন। সোমবার বিকেলে পরিত্যক্ত ওই ঘরের পাশে স্থানীয় কয়েকজন শিশু খেলছিল। এসময় দূর্গন্ধ পেয়ে শিশুরা ঘরের খোলা দরজায় উকিঁ দিয়ে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে অভিভাবকদের জানায়। পরে স্থানীয় লোকজন শিবচর থানায় খবর দিলে রাত আনুমানিক ৮ টার দিক সহকারী পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান, শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মিরাজুল ইসলাম, পরিদর্শক (তদন্ত) আমির সেরনিয়াবাত, উপ পরিদর্শক সঞ্জীব জোয়ারদারসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে অজ্ঞাতনামা লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর মর্গে প্রেরন করে। উদ্ধারকৃত লাশটির পা ও হাতসহ শরীর শক্ত রশি দিয়ে বাঁধা এবং মুখমন্ডল পেট্রোল বা বিষাক্ত কোন দাহ্য পদার্থ দিয়ে ঝলসানো অবস্থায় ছিল। পড়নে বাসন্তি রংয়ের গেঞ্জি ও জিন্স প্যান্ট রয়েছে। ওই অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিকে হত্যা শেষে প্রায় ৭-৮ দিন আগে পরিত্যক্ত ঘরটিতে এনে দাহ্য বা বিষাক্ত পদার্থ দিয়ে মুখমন্ডল ঝলসিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারনা করছে।

 

 

 

সহকারী পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমরা লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেছি। ধারনা করা হচ্ছে অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিকে হত্যা শেষে প্রায় ৭-৮ দিন আগে লাশটি এখানে এনে দাহ্য বা বিষাক্ত জাতীয় পদার্থ দিয়ে মুখমন্ডল পুড়িয়ে পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা লাশের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছি ও হত্যার মূল রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছি।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি