২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

শাহপরানে মোহনসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অসহায় ভুক্তভোগির সাধারণ ডায়েরী।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এ রশীদ বিশেষ প্রতিনিধি:

শাহপরান (রহ.) থানাধীন বালুর এলাকার এক অসহায় ভুক্তভোগিকে তার আপন ভাই ও মা-বাবা মিলে মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।

 

গত শুক্রবার (১২ নভেম্বর) বালুচর বাসা নং-২০৯ এলাকার আওলাদ আলীর পুত্র রাজন আহমদ (৩৫) নিজেও তার স্ত্রীর নিরাপত্তার চেয়ে শাহপরান (রহ.) থানায় আপন ভাই ও মা-বাবার বিরুদ্ধে একখানা সাধারণ ডায়েরী করেন, যাহার জিডি এন্ট্রি নং- ৬৬১।

 

অভিযুক্তরা হচ্ছে- একই ঠিকানার ভুক্তভোগির আপন ভাই কথিত সাংবাদিক মোহন মিয়া, তার বাবা আওলাদ আলী ও তার মা রৌশন আরা বেগম রেবা।

 

জিডি এন্ট্রি সুত্রে জানা গেছে- বাদী তার ভাই ও মা-বাবার অনুমতি ছাড়া আয়েশা আফসানাকে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিহাহ করে। কিন্তু তাদের বিবাহের কাবিননামা সম্পাদন করা হয় নি। তথপিও তারা বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ বছর যাবৎ সুন্দরভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঘর সংসার করিতেছে। কিন্তু অভিযুক্তরা তার স্ত্রী আয়েশা আফসানাকে পারিবারিক ভাবে মানিয়া নিতে না পেরে সে এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার করে আসছে। মূল অভিযুক্ত মোহন মিয়া সে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করবে বলে হুমকি প্রদান করে। এমনকি মোহন মিয়া বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে তাদের স্বামী-স্ত্রীকে গুম ও খুন করিয়া ফেলবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করিতেছে। সে এবং তার স্ত্রীর বিবাহের কাবিননামা সম্পাদন করতে চাইলে অভিযুক্তরা তাদের বিবাহের কাবিননামা সম্পাদন করতে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্থ করে আসছে। অভিযুক্তরা সে এবং তার স্ত্রী আয়েশা আফসানাকে তালাক দেয়ার জন্য তার উপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করাসহ তার স্ত্রীকে দেখে নেবে বলে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। অভিযুক্তরা তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে তার চরিত্র নিয়া এবং সে অন্যের স্ত্রী বলিয়া অপপ্রচার করে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতেছে।

 

তাছাড়াও অভিযুক্তরা তাদের সময় সুযোগে রাস্তাঘাটে একা পাইলে মারপিট করবে ও তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমাসহ মিথ্যা অপবাদ প্রচার করে তাদের হয়রানি করবে বলে হুমকি-ধামকি প্রদান করছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (০৯ নভেম্বর) বিকাল অনুমান ০৪ঃ০০ ঘটিকায় অভিযুক্ত আওলাদ আলী ও রৌশন আরা বেগম রেবার ব্যবহৃত মোবাইল নং- ০১৭৭৮-৮৪৭৬৫০ নম্বর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়ে সে এবং তার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে দেখে নিবে বলে হুমকি প্রদান করে।

 

অভিযুক্তদের এহেন হুমকিতে সে এবং তার স্ত্রী সম্মানহানি ও বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলায় হয়রানি করারা আশাংঙ্খা রহিয়াছে। অভিযুক্তদের এমন অপচেষ্টায় যেকোন মূহুর্তে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষয়ক্ষতির সমূহ সম্ভাবনা রহিয়াছে।

 

সর্বশেষে রাজন আহমদ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের হাত থেকে তার মতো নিরীহ মানুষদের রক্ষার জন্য সিলেটের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।